পল্লব বসুর ভগ্নিপতি গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়ার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘৪০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারের পর ৪১তম বিসিএসে খাদ্য ক্যাডার পেয়েছিল পল্লব। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেওয়ার। খাদ্য ক্যাডার পাওয়ার পর অনেক কান্না করেছিল। তখন আমি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলাম। এবার ঠিকই প্রশাসন ক্যাডার পেল, কিন্তু দেখে যেতে পারল না।’
পল্লব বসুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পল্লব বসু এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–৫ পেয়েছিলেন। এরপর ভর্তি হয়েছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বাড়ি পল্লব বসুর। ৪০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পেয়ে ভোলার সরকারি শাহবাজপুরে কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। এর আগে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার পদেও চাকরি পেয়েছিলেন।
পল্লব বসুর ভগ্নিপতি দোলন চন্দ্র রায় জানান, ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হয়ে স্থানীয় মাঠে কিছুক্ষণ ব্যাডমিন্টন খেলেন পল্লব। এরপর একটি চায়ের দোকানে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। সেখানে পানি খাওয়ার পর কয়েকবার জোরে জোরে নিশ্বাস নিয়ে বেঞ্চ থেকে মাটিতে পড়ে যান। তাঁকে দ্রুত কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের ভাষ্যমতে সিভিয়ার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।