খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তাঁর উপস্থিতিতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বেলা একটার দিকে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ও নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জুনাইদ আহ্মেদের নেতৃত্বে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সিংড়া শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যায়। এরপর মিছিলে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা সেখানে বাবলু ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালান এবং স্টেশনটি বন্ধ করে দেন। ফিলিং স্টেশনের মালিক বিএনপি নেতা দাউদার মাহমুদ।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নেওয়া যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, তেমনি নির্বাচনে না যাওয়ার আহ্বান জানানো গণতান্ত্রিক অধিকার। আমাদের নেতা-কর্মীরা সেই অধিকারবলে সিংড়ায় লিফলেট বিতরণ করছিল। অথচ পুলিশ তা করতে দেয়নি। বরং তাদের আটক করা হয়েছে। বিএনপি নেতার ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর করা হয়েছে। মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’ পুলিশের লাঠিপেটায় তাঁদের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। তবে তিনি আহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানাতে পারেননি।
তবে পেট্রলপাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওহিদুর রহমান শেখ বলেন, ‘আমাদের নেতা–কর্মীরা কেউ ভাঙচুর করেনি। তাদের (বিএনপি) নিজেদের মধ্যে বিরোধ আছে। এই কারণেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেতে পারে।