বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের কাছে ছাত্রসমাজ মাথা নত করবে না। ক্যাম্পাসে ছাত্রদের নিরাপত্তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে ২২টি সংগঠন।
যৌথ বিবৃতি প্রদানকারী নেতারা হলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের (চরমোনাইপীরের দল) সভাপতি নূরুল বশর আজিজী, ইসলামী ছাত্র মজলিসের সভাপতি বিলাল আহমদ চৌধুরী, গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের (এলডিপি) সভাপতি মেহেদি হাসান মাহবুব, জাগপা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রহমান ফারুকী, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (জেএসডি) সভাপতি তৌফিক উজ জামান, জাতীয় ছাত্র সমাজের (কাজী ফয়েজ) সভাপতি কাজী ফয়েজ আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মদ আশিকুর রহমান জাকারিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র সমাজের সভাপতি এহতেশামুল হক, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের (মান্না) সভাপতি মেহেদী হাসান, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি খালেদ মাহমুদ, ছাত্র ফোরামের (মোস্তফা মহসীন মন্টু) সভাপতি সানজিত রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের (ববি হাজ্জাজ) সভাপতি মাসুদ রানা জুয়েল, বাংলাদেশ ছাত্র মিশনের (ইরান) সভাপতি সৈয়দ মো. মিলন, বাংলাদেশ মুসলিম ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল আলম, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মোল্লা রহমাতুল্লাহ্, রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক আহমেদ ইসহাক, বিপ্লবী ছাত্র সংহতির আহ্বায়ক ফাইজুর রহমান মনির, বাংলাদেশ ছাত্র মিশনের (ফারুক) সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ও পিপলস অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন।