সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে ফুলতলী পীরের অনুসারীদের একটা প্রভাব সব সময়ই থাকে। এই আসনে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী। তাঁর বাবা প্রয়াত আল্লামা আবদুল লতিফ চৌধুরী সারা দেশে ‘ফুলতলী হুজুর’ হিসেবে পরিচিত।
তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুক উদ্দিনের জন্য স্বতন্ত্র হুছাম বড় হুমকি হবেন না বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একটা অংশ নিজ পক্ষ ত্যাগ করে হুছামুদ্দীনের পক্ষে ভিড়ছেন। এর পেছনে ‘ওপর’ থেকে চাপ আছে বলে আলোচনা রয়েছে।
কক্সবাজার-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এরপরও স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম মাঠে ছিলেন। কিন্তু এই আসনে বিএনপির জোট থেকে বের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কল্যাণ পার্টির নেতা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে জেতানোর তৎপরতা আছে। জাফরের সমর্থকদের দাবি, আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী জাফরের পক্ষে আছেন, তাঁরা এখন কোণঠাসা, অনেকে এলাকাছাড়া।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির বহিস্কৃত সাবেক সেনা কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের পক্ষে নেমেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত বর্তমান সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদ। দলীয় প্রার্থী আবদুল কাহার আকন্দ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন থাকার পরও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বড় অংশ আখতারুজ্জামানের পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
আবদুল কাহার আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, নেতা-কর্মীদের নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার চাপ দেওয়ার বিষয়টি সত্য। তবে এখন বন্ধ আছে।