নির্মাণ অনুমোদন বিষয়ে বিধিমালায় বলা হয়েছে, ভবন নির্মাণ করতে বা বিদ্যমান অবকাঠামো পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংযোজন করতে হলে আইন অনুযায়ী নির্মাণ অনুমোদনপত্র গ্রহণ করতে হবে। নকশায় যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন কারিগরি ব্যক্তিদের স্বাক্ষর এবং তাঁদের পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর নকশা ও দলিলের নির্ধারিত স্থানে উল্লেখ করতে হবে।
নির্মাণ অনুমোদনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রের অনুলিপি, মাশুল পরিশোধের রসিদ, আবেদনকারীর বৈধ মালিকানার প্রমাণস্বরূপ দলিলের সত্যায়িত অনুলিপি, মাটি পরীক্ষার প্রতিবেদন, অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ক্ষেত্রে ফ্লোর অনুযায়ী আবাস-ইউনিটের সর্বমোট সংখ্যা, প্লটের ক্ষেত্রফল, ভূমি আচ্ছাদন, সেটব্যাক স্থানের পরিমাপ এবং মোট তলার সংখ্যা ইত্যাদি জমা দিতে হয়।
জানতে চাইলে ঐশী প্রপার্টিজের স্বত্বাধিকারী আইয়ূব আলী বলেন, আইন অনুযায়ী ভবনে নির্মাণে নকশা অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবন নির্মাণে অনেক সময় নকশার অনুমোদন নেওয়া হয় না। আর অনুমোদন নিলেও নকশায় ব্যত্যয় ঘটানো হয়। ভবন নির্মাণে নকশা অনুমোদন না নেওয়া কিংবা অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করায় আবাসন কোম্পানির মালিকদের জেল–জরিমানাও হয়েছে।
আইয়ূব আলী বলেন, নকশার অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ করা উচিত নয়। কারণ, প্রকৌশলীরা ভবনের নকশা প্রণয়ন করেন। সেই নকশা আবার আইনকানুন অনুযায়ী যাচাই–বাছাই করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এতে নিরাপত্তাসংক্রান্ত ত্রুটিবিচ্যুতি থাকলে সেটি দূর হয়।