মাদারীপুরে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের অন্যতম সমন্বয়ক আলভী নাহিয়ান আবৃত প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা দেশে ছয়জন আন্দোলনকারীর নিহতের প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলাম। হঠাৎ পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এক হয়ে আমাদের লাঠিপেটা শুরু করেন। তাঁরা ব্যানার ছিনিয়ে নেন, নারীদের ওপর হাত তোলেন। হামলায় আমরা কয়েকজন আহত হয়েছি। আমরা পথ ছাড়িনি, আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করতে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছি। ছাত্রলীগের এই হামলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
মিথিলা আক্তার নামে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কাপুরুষত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। তাঁরা নারীদের হায়ে হাত দিয়েছেন। আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছেন। কেন তাঁরা এমন করছেন? আমরা কি এই দেশে আমাদের দাবি জানাতে পারি না? আমাদের এই যৌক্তিক দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কে কোটা সংস্কারের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান করে। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে তাঁদের প্রথমে বোঝানো হয়। পুলিশের চেষ্টায় অনেক শিক্ষার্থী মহাসড়ক ছেড়ে দিলেও অনেকেই আবার মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় কোটার পক্ষের কিছু লোক তাঁদের ছাত্রভঙ্গ করে দেন। এখানে আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। মহাসড়কে যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।