চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লার শহরের কোটবাড়ী, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চট্টগ্রামে ২ জন নিহত ও ৬৩ জন আহত হয়েছেন। কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে সাত জেলায় অন্তত ৩১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ২০২ জনকে আটক করা হয়।
বরিশাল সদর, পটুয়াখালীর দুমকি ও বাউফল, জামালপুর সদর, নেত্রকোনার মদন, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী সদর ও সৈয়দপুর এবং লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩২০ জন আহত হন।
রাজশাহীর বাগমারা, নাটোর সদর, পাবনা সদর, জয়পুরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ ও বগুড়ায় কয়েক ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়েছে। কোথাও কোথাও ক্ষমতাসীন দলের লোকজন হামলা চালিয়েছেন। এতে পুলিশের ১৬ সদস্যসহ ৩৭৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়ায় ৩২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় নাটোরে ১০, পাবনায় ১৫ ও মৌলভীবাজারে কয়েকজন আটক হয়েছেন।