9.6 C
New York

১০ জনের কিংস হার এড়াল রাকিবের গোলে

Published:

৪২ মিনিট পর্যন্ত আক্রমণ–পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংস বিপাকে পড়ে দরিয়েলতনের ওই লাল কার্ডেই। তবে যে দলে রবসন, মিগুয়েল ফেরেইরাদের মতো ফুটবলার আছেন, সে দল ১০ জনে পরিণত হলেও আক্রমণ জারি রাখে। শেখ রাসেল ১–০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বিরতি থেকে ফিরে। রবসনের একটা ভুল থেকে বল পেয়ে সুমন রেজা সেটি বক্সের মধ্যে বাড়িয়ে দেন কোদাই ইদার দিকে। জাপানি ফরোয়ার্ড এক পা দিয়ে বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অন্য পায়ের শটে পরাস্ত করেন গোলকিপার আনিসুর রহমানকে।

কিংস ম্যাচে ফিরতে পারত আগেই। ৫৬ মিনিটে সাদউদ্দিনের দারুণ একটি ক্রসে বক্সের মধ্যে কেউই পা লাগাতে পারেননি। ৫৮ মিনিটে পেছন থেকে পাওয়া একটি বল বুক দিয়ে নামিয়ে মিগুয়েল শট নেওয়ার মুহূর্তে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন গ্যানিউ আতান্দা। এরপর মিগুয়েলের কর্নার থেকে বাবুরবেক ইউলদাশোভের হেড আটকে দেন শেখ রাসেলের গোলকিপার মিতুল মারমা।

শেখ রাসেল অবশ্য ১–০ গোলে এগিয়ে গিয়ে শুধু রক্ষণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি নিজেদের। সংখ্যার ভারসাম্যের সুবিধা নিয়ে আক্রমণেও উঠেছে। কিন্তু সেই আক্রমণগুলো ছিল বেশ অগোছালোই। ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় কিংস। তবে এর আগের ৪–৫ মিনিট একের পর এক আক্রমণে শেখ রাসেলের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল অস্কার ব্রুজোনের দল। রবসন, মিগুয়েল, বাবুরবেকই শুধু নন, রাকিব, সাদ, বিশ্বনাথ, রফিকুলরা পাসের পর পাস খেলে শেখ রাসেলের রক্ষণের ফাঁকফোকর বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখেন রাকিব। বক্সের ঠিক বাইরে রবসনের এক ব্যাকহিলে বল পেয়ে মিগুয়েল সোজা পোস্টে শট নিয়েছিলেন। কিন্তু গোলকিপার মিতুল মারমা সেই বলটি ঠেকালেও ঠিকমতো ধরতে পারেননি। বল পেয়ে যান রাকিব। ঠান্ডা মাথায় তিনি তা জালে পাঠিয়ে দেন। লিগে এটি টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল। এখন পর্যন্ত ষষ্ঠ গোল। বাংলাদেশি ফুটবলারদের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।

শেখ রাসেল এরপরও ম্যাচটা জিততে পারত। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে সোলেমানি ল্যান্ড্রি নিজের গতি দিয়ে কিংসের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি গোলকিপার আনিসুর রহমানকে একা পেয়েও ওপর দিয়ে মেরে দেন। এই সুযোগ নষ্ট করার আক্ষেপ সোলেমানি ল্যান্ড্রিকে অনেক দিন পোড়াবে। ম্যাচের সবচেয়ে সেরা সুযোগটিই যে তিনি নষ্ট করেন।

Related articles

Recent articles

spot_img