-0.8 C
New York

হাতকড়া দেখিয়ে কি চালের দামের লাগাম টানা যাবে

Published:

ভেজাল অভিযানের সেই ম্যাজিস্ট্রেট নাকি এখন নিজেই ‘ভেজালে’ আছেন। সেই কমিশনপ্রধানও এখন আলোচনায় নেই। কিন্তু তাঁদের ‘পাবলিক খাওয়ার’ চর্চা বাজার পেয়ে গেছে। সুযোগ পেলেই প্রচারের এই মোক্ষম সুযোগ কেউ হারাতে চান না।

সপ্তাহ কয়েক আগে ঝালকাঠিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিজেই। অবশ্য তাঁর সঙ্গে স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশপ্রধান ছিলেন।

তিনি শহরের বড়বাজার ও কাঠপট্টি এলাকায় চাল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের কয়েকটি দোকান তদারক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, নতুন সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিকভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশে প্রচুর চাল মজুত আছে। কোনোভাবেই চালের বাজার অস্থিতিশীল করা যাবে না। অতিরিক্ত মজুত করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আসলেই কি ধানচালের অভাব নেই

মহাপরিচালক যে অঞ্চলে গিয়েছিলেন, সেই অঞ্চলে (বরিশাল বিভাগ) গত নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে খেতে থাকা আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেই সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছিল, খেতে থাকা আমন ধানের শতকরা ২১ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে ছিল শীতকালীন সবজি, পান, আগাম জাতের শর্ষে, খেসারি ও গম। তখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছিল আলোচ্য বিভাগে যে ৭ লাখ ১ হাজার ৯০৩ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছিল, তার মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মিধিলির প্রভাব ছাড়াও আমনের আবাদের খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় আগের দামে ধানচাল বেচার অবস্থা কৃষকের নেই। খরচে কুলাতে না পারায় অনেক জমি চাষাবাদের আওতায় আসেনি গত মৌসুমে। মেরে কেটে গত ৩০ জুলাই পর্যন্ত আমনের চারা লাগানো যায়।

Related articles

Recent articles

spot_img