1.1 C
New York

হাকালুকিপারে হলুদ জোয়ার | প্রথম আলো

Published:

আবদুল খালিক বলেন, ‘তেরাকুড়িতে ৭০ থেকে ৮০ জন কৃষক সরিষা করেছেন। কিয়ারে চাইর (চার) থাকি পাঁচ মণ সরিষা আশা কররাম (করছি)। বেচতেও সমস্যা অয় না। ব্যবসায়ীরা ঘর থাকি আইয়া লইয়া (এসে নিয়ে) যায়।’

দাসেরবাজার ইউনিয়নের অহিরকুঞ্জির এমদাদুর রহমান এবারই প্রথম ১০ কিয়ার জমিতে শর্ষে চাষ করেছেন। তিনি বলেন, আমন ধান কাটার পর এই জমি খালি থাকত। ফসল ভালো হয়েছে। খরচ কম, কষ্টও কম।

তালিমপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয়ারদেহী গ্রামের পৃথিশ রঞ্জন দাস জানান, বোনা আমন ধান কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে সেই জমিতে বিনা চাষে শর্ষের বীজ ছিটিয়ে দেন তাঁরা। তবে রোপা আমনের খেতে হাল চাষ দিতে হয়। প্রতি কিয়ারে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি কিয়ারে সাড়ে চার মণ থেকে পাঁচ মণ ফসল আশা করছেন তিনি। তিনি পাঁচ কিয়ার জমিতে শর্ষের চাষ করেছেন। হাকালুকি হাওরের কাজীরবন্দ, মুর্শিবাদকুড়া, দ্বিতীয়ারদেহী, বড় ময়দান এলাকাতেই বেশি শর্ষের চাষ হয়েছে।

বড়লেখা উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পতিত জমির ব্যবহার, উৎপাদন খরচ কম, লাভজনক ও স্বল্পমেয়াদি ফসল হওয়ার কারণে হাকালুকি হাওরপারের কৃষকেরা শর্ষের চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। হাওরপারের তালিমপুর ইউনিয়নের মুর্শিবাদকুড়া, হাল্লা, খুটাউড়া, গগড়া; সুজানগর ইউনিয়নের তেরাকুড়ি, বাগমারা, বারোহালি; দাসেরবাজার ইউনিয়নে মাইজমজুড়ি, দ্বিতীয়ারদেহী, ধর্মদেহী, মালিচিরি এবং বর্নি ইউনিয়নের কাজিরবন্দ ও ছালিয়া এলাকায় শর্ষের চাষ হচ্ছে। এবার নতুন করে চাষের আওতা বেড়েছে খুটাউড়া, গগড়া, রতুলি, বড়খলা, দ্বিতীয়ারদেহী, বোবারতল, অহিরকুঞ্জি এলাকায়।

Related articles

Recent articles

spot_img