10.9 C
New York

সুমন যেভাবে পেশা বদলে সফল কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন, মাসে আয় লাখ টাকার বেশি

Published:

আয় কত
জানতে চেয়েছিলাম, সাংবাদিকতার সঙ্গে এখনকার উপার্জনের পার্থক্য সম্পর্কে। সুমন বললেন, ‘চাকরি করে যা উপার্জন করতাম, এখন তার চেয়ে ৭-৮ গুণ বেশি আয় করি। প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৩ লাখ টাকা আয় হয়, সর্বোচ্চ ১০ লাখও আয় করেছি। অর্থাৎ ৩-১০ লাখের মধ্যে থাকে মাসিক আয়। কখনো ৪ লাখ হচ্ছে তো কোনো মাসে ৭ লাখ।’
কীভাবে টাকাটা আসে, সে প্রসঙ্গে তিনি জানান, ইউটিউব থেকে টাকা আয়ের কিছু নিয়ম আছে। প্রথমে চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশনের আওতায় পড়তে হয়। সে জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন ওয়াচ টাইম, মোট ভিউ ইত্যাদি। এ ছাড়া ইউটিউবের কোনো নিয়ম ভঙ্গ করা যাবে না। এরপর ইউটিউব মনিটাইজেশন চালু করে দেয়। তখন একটা ফরমে ব্যাংক ডিটেইলস, টিআইএন নম্বর ইত্যাদি লিখতে হয়। সেসব দেওয়ার পর প্রতি মাসের শেষ নাগাদ যে পরিমাণ আয় হয়, তা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেয় ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।
এখন পর্যন্ত যেসব জায়গায় গিয়েছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় কোন জায়গা, প্রশ্ন করি এই অনুসন্ধিৎসু ভ্রমণপিয়াসীর কাছে। বললেন, গ্রাম তাঁর সব সময়ই পছন্দ। ক্যামেরার চোখ দিয়ে গ্রামবাংলা দেখতে ভালো লাগে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় স্থান রাজশাহীর ছোট চরখানপুর গ্রাম। পদ্মাপারের এই গ্রামের তিন দিকে ভারত। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষায় একেক রূপে ধরা দেয় গ্রামটি। এমনকি বর্ষাকালে সেখানে যেতে হলে ভারতীয় জলসীমা পাড়ি দিয়ে যেতে হয়। এ পর্যন্ত তাঁর চ্যানেলে চরখানপুরের ১৯টি ভিডিও আপলোড করেছেন সুমন। তাঁর নিয়মিত দর্শকেরাও বারবার গ্রামটি দেখতে চান, সুমনেরও কিছুদিন পরপর গ্রামটিতে না গেলে ভালো লাগে না।

Related articles

Recent articles

spot_img