13.2 C
New York

সিবিএ নেতাকে মারধরের ঘটনায় প্রকৌশলীর কাছে কৈফিয়ত তলব

Published:

শ্রমিকেরা জানান, সবার সঙ্গে এমন আচরণই করে থাকেন সামিউল ইসলাম। বিভিন্ন সময় তিনি শ্রমিকদের সঙ্গেও মারমুখী আচরণ করেন। মাস ছয়েক আগে চিনিকলের যান্ত্রিক প্রকৌশল শাখার প্রধান মেসবাউল ইসলামের সঙ্গেও মারমুখী আচরণ করেন তিনি। সেদিন চিনিকলে নতুনের জায়গায় পুরাতন বোরিং পাম্প ও পাইপ বসাচ্ছিলেন প্রকৌশলী সামিউল। মেসবাউল ইসলাম এই অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সামিউল তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।

চিনিকল সিবিএর সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, ‘সংস্কার খাতে প্রতি অর্থবছরে চিনিকলে প্রায় ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। এগুলোর বেশির ভাগ অর্থই ভুয়া ভাউচারে নয়ছয় করেন প্রকৌশলী সামিউল ইসলাম। তিনি চিনিকলের এমডিকেও তছরুপ করা অর্থের ভাগ দেন। এ জন্য এমডি সামিউলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন না। রফিকুলকে মারধরের ঘটনায় এমডি শ্রমিক প্রতিনিধি ছাড়াই নিজেদের কর্মকর্তাদের নিয়ে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি করেন। নিজেদের মতো করে তদন্ত প্রতিবেদন করে সামিউলকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্টো “শায়েস্তা” করতে তিন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং আমি এবং আমার সাধারণ সম্পাদক রফিকুলকে কৈফিয়ত তলবের চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

সিবিএ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে রড দিয়ে মেরে আঙুল কেটে দিয়েছেন সামিউল। এ ঘটনায় এমডির কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু এ অভিযোগের তদন্ত হয়নি। সামিউল উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগ তদন্ত করে তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের এমন পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণের কারণে চিনিকলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’

Related articles

Recent articles

spot_img