9.6 C
New York

সমস্যা মেটাতে বিভাগগুলোতে আছে ছাত্র উপদেষ্টা, জানে না অনেক শিক্ষার্থী

Published:

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মিনহাজ উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘উদ্যাগটি ফলদায়ক হয়নি জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ছাত্র উপদেষ্টা নিয়োগের কারণে। একজন বয়স্ক অধ্যাপকের স্বাভাবিকভাবেই ব্যস্ততা বেশি। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণও অনেক সময় করতে পারেন না। আর তাঁদের সঙ্গে সদ্য বয়ঃসন্ধিকাল পেরোনো শিক্ষার্থীদের চিন্তাজগতের অনেক ফারাক। মনে করি শিক্ষার্থী উপদেষ্টা নিয়োগের মাপকাঠি নতুন করে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মাশরিক হাসান একই কথা বলেন। তিনি বলেন, ছাত্র উপদেষ্টাদের কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা প্রয়োজন। এ সময়টা পর্যালোচনাও করা প্রয়োজন। কতজন শিক্ষার্থী সেবা নিতে এসেছেন, সেটা পর্যালোচনার  জন্য একটা লকবুক থাকা প্রয়োজন। ছাত্র উপদেষ্টাদের সক্রিয় করতে নির্দিষ্ট গাইডলাইন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

রেজিস্ট্রার আইনুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলা বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা শামীম আরা বলেন, শিক্ষার্থীরা প্রায়ই সমস্যা নিয়ে আসেন। তাঁদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করা হয়। সমস্যাগুলোর সমাধানেরও চেষ্টা করা হয়। প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসার চেষ্টা করি।

বিভাগটির চেয়ারম্যান মিল্টন বিশ্বাস বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার এক বছরের বেশি সময়ে বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টার কাছ থেকে তিনি কোনো প্রতিবেদন পাননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শওকত জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্র উপদেষ্টাদের প্রতি মাসে অন্তত একবার শিক্ষার্থীদের নিয়ে আলোচনায় বসা প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হলো উপদেষ্টারা নিজেরাও হয়তো জানেন না তাঁদের দায়িত্ব কী। তাই দায়িত্ব দেওয়ার আগেই তাঁদের কাজ সম্পর্কে জানানো প্রয়োজন ছিল।

Related articles

Recent articles

spot_img