27.4 C
New York

সংক্রমণ কমাতে প্রয়োজন সমন্বিত কার্যক্রম

Published:

দুঃখের বিষয় হলো, নীতিনির্ধারকেরা গতানুগতিক ধারায় রুটিন কাজে ডেঙ্গু সামাল দিতে চাইছেন। এর ফলে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। জনস্বাস্থ্যবিদদের মতে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নেওয়ার পরও এই রোগের ওপর সরকারের তেমন নজরদারি নেই। নজরদারি ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও সরকার বরাদ্দ দিচ্ছে না। শুধু হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের তথ্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে থাকে। কিন্তু এর বাইরেও যে বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, ঘরে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাঁদের তথ্য কোথাও নেই। হাসপাতালের বাইরে থাকা রোগীদেরও শনাক্ত করে রোগের ধরন পরীক্ষা করা জরুরি।

জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেছেন, বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগ ও মশার গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য নিবিড় নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু কাজটি ঠিকমতো হয়নি। সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কাজ নজরদারি করা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি এর জন্য অর্থ চেয়েও পায়নি। অন্যদিকে সরকার যেহেতু ডেঙ্গুকে জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি হিসেবে ঘোষণা করেনি, সেহেতু দাতাদের সহায়তাও পাওয়া যায়নি।

রোগতত্ত্ববিদদের মতে, এডিস মশার ধরন বদলেছে। আগে যে ওষুধে মশা মারা যেত, এখন আর সেটি প্রয়োগ করলে কাজে আসছে না। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, মশা মারার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের। সেই দায়িত্ব তারা সঠিকভাবে পালন না করলে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগ স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্ব এড়াবে কীভাবে? যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা করা প্রয়োজন, আমাদের অনেক হাসপাতালে সেই পরিবেশ নেই। আবার অনেক হাসপাতালে পরিবেশ থাকলেও যোগ্য ও দক্ষ চিকিৎসক নেই।

Related articles

Recent articles

spot_img