1.7 C
New York

সংকটেও ভালো মুনাফা সিমেন্ট খাতের

Published:

তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুটি কারণে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলো ব্যবসায়ে ভালো করেছে। প্রথমত, ২০২২ সালের শেষার্ধে ডলারের যে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল, সেই ধাক্কা অনেকটা আত্তীকরণ করে ফেলেছে কোম্পানিগুলো। দ্বিতীয়ত, কাঁচামাল–সংকটের কারণে ছোট–বড় কিছু কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা কমে যাওয়ায় সেই বাজার দখল করেছে অন্যরা। তাতে যাদের উৎপাদন স্বাভাবিক ছিল, তাদের বিক্রি বেড়েছে। এ ছাড়া ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পণ্যের দামও বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। সেই সুফলও মিলছে এখন।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার সিমেন্ট ২০২২ সালের শেষ ছয় মাস জুলাই–ডিসেম্বরে প্রায় ২৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। তাতে ওই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা ঋণাত্মক হয়। অর্থাৎ ২০২২ সালের শেষ ছয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আড়াই টাকা লোকসান হয়েছিল। সেই লোকসান কাটিয়ে গত বছরের শেষ ছয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৬৩ পয়সা মুনাফা করে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের শেষার্ধে প্রিমিয়ার সিমেন্ট ১ হাজার ২৮৯ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি ৮৮৮ কোটি টাকা ব্যবসা করেছিল। এই ব্যবসা করতে গিয়ে কোম্পানিটির পণ্য উৎপাদনে খরচ হয়েছিল ৭৯৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রিমিয়ার সিমেন্ট ২০২২ সালে শেষ ছয় মাসে যত টাকার ব্যবসা করেছে, তার ৯০ শতাংশ অর্থ পণ্য উৎপাদনে খরচ হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই সময়ে ডলারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ৪০ কোটি টাকা বাড়তি লোকসান হয় কোম্পানিটির। সেই হিসাবে, কোম্পানিটি পণ্য বিক্রি করে যে আয় করেছিল, ছয় মাসে তার প্রায় পুরোটাই পণ্য উৎপাদনের খরচ ও ডলারের বাড়তি দামের পেছনে খরচ করতে হয়।

Related articles

Recent articles

spot_img