8.3 C
New York

শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের চাঁদা ‘অফিসিয়ালি’ তোলার আহ্বান

Published:

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের ‘শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের চাঁদা’ অফিসভিত্তিক সংগ্রহ করার আহ্বান জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক।

রোববার (২৪ মার্চ) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্কের যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। এতে সই করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান।

যৌথ বিবৃতিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক হারুন অর-রশীদ বলেন, সড়ক পরিবহন খাতে প্রকাশ্যে বিভিন্ন নামে ও অজুহাতে চাঁদাবাজি করা হয়। স্লিপ নিয়ে লাঠি হাতে সারা দেশে এই বেপরোয়া চাঁদাবাজি চলে। অথচ পরিবহন শ্রমিক নেতারা বলছেন তারা এসব চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নন। তারা শুধুমাত্র শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের জন্য প্রতিদিন যানবাহন প্রতি ৩০ টাকা হারে চাঁদা তোলেন।

তারা আরও বলেন, তাহলে প্রশ্ন ওঠে, সারা দেশে এই চাঁদাবাজি করছেন কারা? এই চাঁদার ভাগ পান কারা? এসব চাঁদাবাজির দায় ও অপবাদ তো শ্রমিক নেতাদের উপরই বর্তাচ্ছে। তবে কি শ্রমিক নেতাদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত চাঁদাবাজি করছে? মূলত চাঁদাবাজিই সড়ক পরিবহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় প্রধান বাধা।

এই প্রেক্ষাপটে, পরিবহন শ্রমিক সংগঠনগুলো যদি বাস্তবিক উদ্দেশ্যেই শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের জন্য যানবাহন প্রতি ৩০ টাকা হারে চাঁদা সংগ্রহ করে থাকে, তাহলে তারা এই চাঁদা রাস্তা থেকে বিশৃঙ্খলভাবে না তুলে অফিসভিত্তিক সংগ্রহ করতে পারে। এতে চাঁদাবাজির অপবাদ থেকে তারা মুক্ত হবে এবং সড়কেও শৃঙ্খলা আসবে। এই ব্যবস্থা নিলে যারা সড়কে চাঁদাবাজি করবে তারা শ্রমিক নেতাদের কেউ নয় বলে চিহ্নিত হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও সহজ হবে বলে মনে করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ রোড সেফটি নেটওয়ার্ক।

সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের অনুরোধ জানিয়ে সংগঠন দুটির নেতারা বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনমনে তাদের ভাবমূর্তি বাড়াতে তারা যেন সড়ক থেকে চাঁদা সংগ্রহ না করে অফিসভিত্তিক সংগ্রহ করেন। আমরা সবসময় পরিবহন শ্রমিকদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা করি। দেশের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সুশৃঙ্খল সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা খুবই জরুরি। এ অবস্থায় যেকোনো মূল্যে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।

এফএইচ/কেএসআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

Related articles

Recent articles

spot_img