7.6 C
New York

শুধু দায় চাপানোর চেষ্টা | প্রথম আলো

Published:

ঢাকার মগবাজার, সিদ্দিক বাজার ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকার তিনটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তকারীদের ভাষ্যমতে, সব কটি বিস্ফোরণ ঘটে পাইপলাইনের ছিদ্র দিয়ে বের হওয়া গ্যাস জমে। এ ক্ষেত্রে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে কোন ঘটনায় কে দায়ী, তা নিরূপণ করা যাচ্ছে না।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তিতাসের দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না, মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মগবাজার ও সিদ্দিক বাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা সিটিটিসির অতিরিক্ত উপকমিশনার রহমতউল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দুটি মামলাতেই শিগগিরই আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

সিদ্দিক বাজারে কুইন স্যানিটারি মার্কেট হিসেবে পরিচিত সাততলা ভবনের বেজমেন্টে গত বছরের ৭ মার্চ বিস্ফোরণে ২৬ জনের মৃত্যুর পর জানা যায়, রাজউকের অনুমোদন না নিয়েই পাঁচতলা ভবন সাততলা করা হয়। এর আগে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় রাসায়নিক গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনায় সিটি করপোরেশন, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস, বিস্ফোরক পরিদপ্তরসহ সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকির ঘাটতি উঠে এসেছিল।

চুড়িহাট্টার ঘটনায় বাবা হারানো মো. আসিফ গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটির প্রায় পাঁচ বছর হয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত শুধু মামলার বাদী হিসেবে তাঁর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে; আর কারও নয়। তিনি বলেন, মামলা কত দিন চলবে, ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয়ে রয়েছেন।

২০১০ সালে নিমতলীতে রাসায়নিক গুদাম থেকে ছড়ানো আগুনে ১২৬ জনের মৃত্যুর পরও বিভিন্ন সংস্থার গাফিলতির চিত্র উঠে আসে। তখন থেকেই বলা হচ্ছে, পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাসায়নিকের গুদাম সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Related articles

Recent articles

spot_img