8.3 C
New York

শিক্ষার ব্যয় বেড়েছে, মূল কারণ কোচিং-প্রাইভেট ও নোট গাইড

Published:

গবেষণার তথ্য বলছে, করোনার সংক্রমণজনিত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের একটি বিদ্যালয় ছাড়ার পর আর ফিরে আসেনি। ২০২০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করত এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০২৩ সালে এসে দেখা গেছে তাদের মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির ৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ঝরে পড়া মহামারির জন্য প্রভাবিত। এ জন্য যে কারণগুলো উঠে এসেছে, সেগুলো হলো, মহামারির কারণে নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোর আরও কমে যাওয়া, বিদ্যালয়ে পড়ালেখার জন্য অভিভাবকদের খরচ বৃদ্ধি, মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা এবং বিদ্যালয় থেকে যথাযথ নির্দেশনার অভাব।

ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তারা বিদ্যালয়ে ফিরতে আগ্রহী কি না? জবাবে প্রাথমিক স্তরে ৫৭ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরে ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছেন, তারা আর বিদ্যালয়ে ফিরতে আগ্রহী নয়। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা বর্তমানে কী করে সেটিও জানার চেষ্টা করা হয়েছে এই গবেষণায়। তাতে প্রাথমিক স্কুল বয়সী শিশুদের ৪১ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ৪৯ শতাংশ বলেছে তারা কাজ বা শিশুশ্রমে নিয়োজিত আছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়া মেয়ে শিশুদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। একটি ছোট অংশ বলেছে, তারা গৃহস্থালির কাজে নিয়োজিত এবং অন্যরা বলেছে তারা কিছুই করছে না।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদ্রাসায় স্থানান্তরের একটি প্রবণতা দেখা গেছে। মাধ্যমিক স্তরের তুলনায় প্রাথমিক স্তরে এ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি (৬ দশমিক ৪ শতাংশ) ছিল। শিশুরা সাধারণত মূলধারার স্কুলগুলোয় বেশি পড়ালেখা করে। কিন্তু যেসব শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে তাদের অভিভাবককে সন্তানের জন্য মাদ্রাসা বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ অভিভাবক ধর্মীয় কারণকে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক–পঞ্চমাংশ বলেছেন মাদ্রাসা বাড়ির কাছে ও মহামারি চলাকালে মাদ্রাসা খোলা ছিল এবং মূলধারার স্কুলগুলো তখন বন্ধ ছিল।

Related articles

Recent articles

spot_img