5.7 C
New York

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৫৫ নয়, স্বর্ণ চুরি হয়েছে ৬১ কেজি

Published:

এসব অসংগতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলেনি কর্তৃপক্ষ। ডিবি সূত্র জানায়, শুরুতে এই মামলা তদন্তকালে ডিবি ওই তিনজনসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে। বাকি পাঁচজন হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ রানা, আকতার শেখ এবং সিপাহি রেজাউল করিম, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও আফজাল হোসেন। এঁরাও বিভিন্ন পালায় গুদামের দায়িত্ব পালন করতেন। তখন সাইফুল ও শহিদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনালের ভেতরে শুল্ক গুদামের লকার থেকে ১ কেজি ৯৬ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করে ডিবি। যদিও শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, লকারে থাকা স্বর্ণ ডিবি উদ্ধার দেখিয়েছে। সেগুলো চুরি হওয়া স্বর্ণ নয়।

শুল্ক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের ধারণা ছিল, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি স্বর্ণ উদ্ধার করবে। স্বর্ণ উদ্ধার হলে কিছুটা হলেও শুল্ক বিভাগের মুখ রক্ষা হবে। কিন্তু স্বর্ণ উদ্ধারের চেয়ে ডিবি ব্যস্ত হয়ে পড়ে শুল্ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে। দুজন যুগ্ম কমিশনার ও একজন উপকমিশনারকে ডেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। তাঁদের কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়। তখন শুল্ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বাইরেও কাউকে ফাঁসানো হতে পারে। এরপর মামলাটি ডিবি থেকে সরানোর জন্য নানাভাবে তদবির করা হয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। এরপর দুই মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। তদন্তে অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, মামলা তদন্তে বলার মতো অগ্রগতি নেই। নতুন করে স্বর্ণও উদ্ধার হয়নি। আসামিদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

Related articles

Recent articles

spot_img