8.1 C
New York

শহীদ বুদ্ধিজীবী ৪৪২ জন, শিক্ষক বেশি

Published:

কীভাবে তালিকা হয়

২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর সরকার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ের জন্য যাচাই–বাছাই কমিটির সদস্যদের নাম প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে। তাতে কমিটির সদস্য ১১ জন।

এরপর দুটি উপকমিটি গঠিত হয়। একটি কমিটির কাজ ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী’র সংজ্ঞা নির্ধারণ করা। অন্য কমিটির কাজ সংজ্ঞা অনুসারে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নাম সংগ্রহ ও তা যাচাই–বাছাই করা।

দুটি কমিটিতেই আছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘কারা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে বিবেচিত হবেন, তা নিয়ে আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক, বরেণ্য বুদ্ধিজীবী–শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলি। একটি খসড়া সংজ্ঞা দাঁড় করানো হয়। পরে জাতীয় কমিটি সেই সংজ্ঞা অনুমোদন করে।’

এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২১ সালের ২১ মার্চ শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: ‘যে সকল সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, রাজনৈতিক, সমাজসেবী, সংস্কৃতিসেবী, চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত ও শিল্পকলার অন্যান্য শাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কিংবা তাদের সহযোগীদের হাতে শহীদ কিংবা চিরতরে নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁরা শহীদ বুদ্ধিজীবী।’

Related articles

Recent articles

spot_img