8.3 C
New York

শরীয়তপুরে ৫ বছরে আলুর উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ

Published:

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জেলায় আলুর আবাদ করা হয়েছিল ১ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৪১ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে আবাদ করা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে আবাদ করা হয়েছিল ১ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৫৩ হাজার ৭৩০ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আবাদ করা হয়েছিল ২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ৭৪ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন। এ মৌসুমে (২০২৩-২৪ অর্থবছর) শরীয়তপুরে ২ হাজর ৭২৬ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগ তাতে ৭৭ হাজার ৪৯০ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। গত ৫ বছরে আলুর উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ হাজার ৬৪০ মেট্রিক টন (৮৫ শতাংশ)। আর আবাদ বেড়েছে ১ হাজার ১৭৬ হেক্টর জমিতে (৭৬ শতাংশ)।

কৃষি বিভাগ ও কৃষকেরা জানান, নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে আলুর আবাদ করা হয় বেশি। বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক বাবদ প্রতি শতক জমিতে কৃষকের খরচ হয়েছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। আর উৎপাদন হয়েছে ১১০ কেজি থেকে ১১৫ কেজি।

নড়িয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের পানসারা এলাকার কৃষক আবদুল হাই সরদার এক একর জমিতে আলুর আবাদ করেছেন। তিনি জমির সব আলু তুলে ১১ টন আলু মুন্সিগঞ্জের একটি হিমাগারে রেখেছেন। আবদুল হাই সরদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে এ বছর খরচ হয়েছে ১৫ টাকা। ৫ বছর ধরে কিছু লাভ হচ্ছে। তার আগের বছরগুলোতে উৎপাদন খরচ বা তার কমে বিক্রি করতে হয়েছে। এবার হিমাগারে আলু রেখেছি। দাম আরও বাড়বে, তখন বিক্রি করব।’

Related articles

Recent articles

spot_img