3.3 C
New York

রাখাইন ঘিরে ভূরাজনৈতিক সংঘাতের ঝুঁকি আছে 

Published:

এমদাদুল ইসলাম: মিয়ানমার বিবদমান গোষ্ঠী অনেক। এর মধ্যে অং সান সু চির সমর্থক এনইউজি, শানদের শান ন্যাশনাল আর্মি, কারেন লিবারেশন আর্মি, আরাকান আর্মি উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশের সন্নিহিত অঞ্চল আরাকান বা রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মি সংঘাতে লিপ্ত। অন্য বৃহৎ ভূরাজনৈতিক শক্তিগুলোর মতো বাংলাদেশে এখনো মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বা কোনো ভূরাজনীতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করেনি। বাংলাদেশের যোগাযোগ মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে। রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ—সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।

তবে মিয়ানমারের বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ অপ্রত্যক্ষভাবে আরাকান আর্মির সঙ্গে একটি কাজ চালানোর মতো একটি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে আরাকান আর্মির সংশ্লিষ্টতা এবং ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের বিষয়গুলো মাথায় রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে।

আরাকান আর্মির নর্দান অ্যালায়েন্স বা বর্তমান ফ্রেন্ডশিপ অ্যালায়েন্স সূত্রে, কাচিন ইনডিপেনডেন্ট আর্মি, ওয়া এবং তাং আর্মির সঙ্গে ভূকৌশলগত সম্পর্কের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তবে সার্বিক বিবেচনায় মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক জান্তার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে শীতলতা প্রদর্শন এবং বিবদমান গ্রুপগুলোর সঙ্গে প্রকাশ্যে যোগাযোগের সময় এখনো আসেনি। আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে গোয়েন্দা মাধ্যমকে কাজে লাগানো যায়, কূটনৈতিকভাবে নয়। 

Related articles

Recent articles

spot_img