15.4 C
New York

রমজানে ত্বকে পানিশূন্যতা হচ্ছে না তো?

Published:

কীভাবে বুঝবেন পানিশূন্যতা হচ্ছে

রোজা থাকা অবস্থায় শরীর যদি পানিশূন্য হয়ে পড়ে, তাহলে দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, চোখ গর্তে চলে যাওয়া, প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা ও ঝিমঝিম, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, দুর্বলতা, শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। পানির অভাব দেখা দিলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্সও হয়। অর্থাৎ শরীরে তরল আকারে থাকা বিভিন্ন লবণ, যেমন সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, পটাশিয়ামের মতো বিভিন্ন উপাদানের অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। এই অসামঞ্জস্যতা বেড়ে গেলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে রমজান মাসে শুধু পরিমাণমতো পানি খেলেই চলবে না, অন্যান্য খনিজযুক্ত তরল খাবারও বেশি বেশি খেতে হবে। যাতে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স না হয়। যেমন ডাবের পানি, চিনির শরবত, গুড়ের শরবত, লাচ্ছি, দুধ, স্যুপ খাওয়া যেতে পারে। পানিশূন্যতা দেখা দিলে স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। পানিশূন্যতা খাবার দিয়েও পূরণ করতে পারেন। সেই খাবার হতে পারে মাছের ঝোল, ডাল, দুধ। এতে পানির চাহিদা কিছুটা পূরণ হবে। ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ফলের রস খেতে পারেন। বাজারে এখন তরমুজ, বাঙ্গি, কমলা, বেলসহ নানা মৌসুমি ফল আছে। এসব ফল দিয়ে শরবত বানিয়েও খেতে পারেন। তবে লক্ষ রাখতে হবে, ফলের জুস ইফতারের সময় সরাসরি খাওয়া যাবে না। পানি মিলিয়ে খেতে হবে। সারা দিন রোজা রেখে খালি পেটে ফলের রস খেলে অ্যাসিডিটিসহ নানা সমস্যা হতে পারে।

Related articles

Recent articles

spot_img