5.1 C
New York

যোগ্যরা যেন অযোগ্যদের কাছে হেরে না যায়!

Published:

কর্তৃপক্ষ বলছে, ভুল বোঝাবুঝি ছিল অথচ এই ভুল বোঝাবুঝিতে সবাইকে না ছেড়ে একজনকে ছেড়ে দেওয়ায় রহস্যের গন্ধ পাচ্ছে কেউ কেউ! যা নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, পরীক্ষায় যারা অপরাধ করে আইনের আওতায় আসেন শুধু সেই ক’জনই কেবল অপরাধের সঙ্গে জড়িত? এর  অন্তরালে যে বিশাল সিন্ডিকেট জড়িত আছে সেটা ভেঙে দেওয়া না হলে মেধাবী ও যোগ্যরা বারবার বঞ্চিত হতেই থাকবে। ক্ষমতা ও অর্থের দৌরাত্ম্যে একজন যোগ্য প্রার্থীর স্থানে যদি একজন অযোগ্য প্রতিযোগী নিয়োগ পান তবে তিনি তাঁর চাকরির প্রারম্ভের দুর্নীতিকে কায়েম করবে এবং বিনিয়োগের অর্থ আদায়ে মরিয়া হবে! নাগরিক ও রাষ্ট্র তাঁর থেকে পরিপূর্ণ সেবা কখনোই পাবে না, আশা করাও ঠিক হবে না।

গত বছরের শেষভাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপে যারা উত্তীর্ণ হয়েছে তাঁদের মধ্যে এমন একজন ছিলেন, যিনি পরীক্ষার আগের রাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন অথচ উত্তীর্ণের তালিকায় তাঁর নাম এসেছে। এ ঘটনাকে মিরাকল বলা চলে! সে ধাপের পরীক্ষাতেও জালিয়াতির অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন শতাধিক।

জেলার সম্পূর্ণ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা একবারে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এমন এমন প্রতিষ্ঠানেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানের পর্যবেক্ষকদের এই জাতীয় পরীক্ষা গ্রহণের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে চেহারা মেলানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব না থাকায় অসাধুরা অবৈধ সুযোগও গ্রহণের শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ ছাড়া পূর্ব থেকে হল ম্যানেজ বা সেন্টার ম্যানেজের লুকোচুরি নতুন বিষয় নয়। তা ছাড়াও যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁদের বাইরেও বৃহৎ একটি অংশ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থেকেও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে পার পেয়ে গেছে।

Related articles

Recent articles

spot_img