14.2 C
New York

যে কারণে এই গরমে প্রস্রাব আটকে রাখবেন না

Published:

প্রস্রাবে জ্বালা মানেই সংক্রমণ নয়

তীব্র গরমে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যেতে পারে। গাঢ় রঙের হতে পারে। এমনকি প্রস্রাব করার সময় জ্বালা করতে পারে। কিন্তু প্রস্রাবে জ্বালা হওয়া মানেই সংক্রমণ না-ও হতে পারে। কারণ পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাব গাঢ় ও কনসেনট্রেটেড হয়ে পড়ে। এই গাঢ় প্রস্রাব মূত্রথলিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যাকে বলে সিস্টাইটিস। ফলে প্রস্রাব করার সময় ব্যথা বা জ্বালা হতে পারে।

সংক্রমণ কী করে বুঝবেন

যদি জ্বালা বা অস্বস্তির সঙ্গে জ্বর বা কাঁপুনি থাকে, তবে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। আবার শুধু পানিশূন্যতার জন্য জ্বালা হলে প্রচুর পানি পান করার পর তা ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সমস্যা দূর না হলে বুঝতে হবে সংক্রমণ হয়েছে।

কোনো কোনো রোগী, বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীদের কোনো বড় উপসর্গ বা জ্বর ছাড়াই প্রস্রাবে সংক্রমণ হতে পারে। তাই তাঁদের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে। নারীদের, বিশেষ করে মেনোপজ-পরবর্তী বয়সের নারীদেরও প্রস্রাবে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই তাঁরাও উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা করবেন।

প্রস্রাবের রুটিন মাইক্রোস্কোপিক টেস্ট ও কালচার টেস্ট করে সংক্রমণের ব্যাপকতা ও ধরন বোঝা যায়। জ্বালা হলেই না বুঝে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে ফেলবেন না। রুটিন টেস্টে পাস সেল বেশি থাকলে ও উপসর্গ বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করতে পারেন, যা কালচার রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত করা হয়। আর সম্ভব হলে কালচার রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো। তাহলে সঠিক ও কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক বাছাই করা সহজ হয়।

Related articles

Recent articles

spot_img