23.1 C
New York

যত্নে থাকুক আমাদের মা-বাবা

Published:

আধুনিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, শরীরের সার্বিক রোগপ্রতিরোধের ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেমের একটি বড় অংশ হচ্ছে মানসিকভাবে ইতিবাচক ও সুস্থ থাকা। বর্তমান সময়ে নানাবিধ স্ট্রেস, দুশ্চিন্তা, হতাশা, বিষাদ ও অবসাদ আমাদের সবারই পিছু নেয়। মা-বাবারাও তার ব্যতিক্রম নন। বরং ক্ষেত্রবিশেষে অবসরজীবনে বা সংসারে কিছু করার না থাকায় এবং একাকী সময় কাটাতে বাধ্য হওয়ায় এসব মানসিক রোগ আরও বেশি জেঁকে বসতে পারে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এ এইচ এম মুস্তাফিজুর রহমান নিজেও একজন বাবা। ছেলেমেয়েরা বিদেশে থাকলেই যে মা-বাবা একাকী হয়ে যাবেন, তা মানতে নারাজ তিনি। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষের দিনে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও উচ্চগতির ইন্টারনেটের বদৌলতে দূরে থেকেও বাবার কাছেই থাকা যায়। যাঁরা দেশে আছেন, তাঁদের উচিত মা-বাবাকে কোয়ালিটি টাইম দেওয়া। মাঝেমধ্যে তাঁদেরকে ডাইন আউট, দিনব্যাপী ভ্রমণে নিয়ে যাওয়া ভালো। দূরে কোথাও ছুটি কাটাতেও নিয়ে যাওয়া যায়। সর্বোপরি, মা-বাবার জন্য একটি সুশৃঙ্খল রুটিনযুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে হবে। খোলা হাওয়ায় ব্যায়াম করা, সমবয়সী ও সমমনা ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা, গঠনমূলক শখের কাজ, যেমন বাগান করা, লেখালেখি করার অভ্যাস থাকলে সে ব্যাপারে সহায়তা করতে হবে। তবে বিভিন্ন কারণে ক্রনিক পর্যায়ের হতাশা, শুচিবাই, ভুলে যাওয়া, হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে যাওয়ার প্রবণতা, অতি দুশ্চিন্তা ইত্যাদি দেখা দিলে অবশ্যই মা-বাবাকে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

Related articles

Recent articles

spot_img