6.9 C
New York

মেট্রোরেলে যাত্রীর চাপ, ট্রেন কম 

Published:

যাত্রী আছে, ট্রেন প্রস্তুত আছে, তাহলে মেট্রোরেলে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়ছে না কেন—সেই খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘাটতি আসলে দক্ষ জনবলের। 

ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, লাইন-৬–এর জন্য ১ হাজার ২৪ জনের একটি জনবলকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৭৩০ জনের মতো। জনবল নিয়োগ দেওয়ার পর দেশে, ভারতে ও জাপানে প্রশিক্ষণের কথা। সবাই পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ পায়নি। 

ডিএমটিসিএলের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, মেট্রোরেল চালুর আগেই জনবল নিয়োগ সম্পন্ন করা দরকার ছিল। কারণ, ব্যবস্থাটি বাংলাদেশে প্রথম। ফলে প্রতিটির দেশে-বিদেশে লম্বা প্রশিক্ষণ দরকার। বাংলাদেশে জনবলের একটি বড় অংশের নিয়োগ হয়েছে মেট্রোরেল চালুর পর। 

মেট্রোরেল প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, দক্ষ জনবলের ঘাটতি থাকায় কখনো ত্রুটি দেখা দিলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। মূলত সমস্যা চিহ্নিত করতে দেরি হয় এবং সমাধানেও সময় বেশি লাগছে।

যেমন গত রোববার বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে পৌনে দুই ঘণ্টা চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এর বাইরে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ত্রুটির কারণে কিছু কিছু সময় বন্ধ থাকে মেট্রোরেল। যদিও মেট্রোরেল চলাচলের জন্য নিজস্ব বিদ্যুৎ-ব্যবস্থা আছে। প্রতিটি সাবস্টেশনে দুটি ট্রান্সফরমার রয়েছে। একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং অন্যটি জরুরি প্রয়োজনে চালু হবে। অর্থাৎ কোথাও বিদ্যুৎ-বিভ্রাট হলেও ট্রেন চলাচল বন্ধ হবে না।

আরও কিছু সেবা এখনো সহজলভ্য হয়নি। যেমন এখন মেট্রোরেল স্টেশনে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কার্ডে টাকা ভরতে হয়। এটি অনলাইনে বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করার চেষ্টা চলছে। 

Related articles

Recent articles

spot_img