13.2 C
New York

মুক্তিযুদ্ধের কাছেই আশা তিন প্রজন্মের

Published:

যুদ্ধের ময়দানে সহযোগী মারা গেলে আপনি ভয় পাননি?

আমরা তো দেশের জন্য যুদ্ধ করতে গিয়েছি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য তখন স্বাধীনতা। স্বাধীনতার জন্য প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাই জীবন দিতে প্রস্তুত ছিলেন।

স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে এসে কী করলেন?

মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে আমি আগরতলা থেকে কলকাতায় যাই। সেখান থেকে ঢাকায় আসি ডিসেম্বরের শেষ দিকে। এসে প্রথমে পুরোনো কর্মস্থল ফিল্ম অ্যান্ড পাবলিকেশনস অফিসে যোগ দিই। বাহাত্তরে সেখান থেকে চারুকলা কলেজে আসি শিক্ষক হিসেবে, এখন যেটি চারুকলা ইনস্টিটিউট।

এই কিশোর-কিশোরীরা এবার ফিরল ওয়ারদা আশরাফের কাছে। প্রশ্ন করল, আপনি মুক্তিযুদ্ধের গান গাইতে এলেন কেন?

ওয়ারদা আশরাফ বললেন, ‘আমাদের প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি। কিন্তু ছোটবেলা থেকে মুক্তিযুদ্ধের গান শুনে, কবিতা পড়ে, নাটক দেখে মুক্তিযুদ্ধ জেনেছি। আমার মনে হলো, আমরা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধকে জেনেছি, আমাদের পরের প্রজন্মকেও তো সেভাবে মুক্তিযুদ্ধের কথা জানানো দরকার। এটা ভেবে মুক্তিযুদ্ধ আর দেশের গান গাইতে থাকি।’

এ কথা বলতে বলতে গিটার হাতে ওয়ারদা গাইতে শুরু করলেন, ‘ধনধান্য পুষ্পভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা।/ তাহার মাঝে আছে দেশ এক—সকল দেশের সেরা;—/ ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে-দেশ, স্মৃতি দিয়ে ঘেরা;/ এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,/ ও সে সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।’

তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মেলালেন আবুল বার্‌ক্‌ আলভী আর শিক্ষার্থীরাও।

Related articles

Recent articles

spot_img