10 C
New York

মার্চের বৃষ্টিসহ আরও যেসব কারণ ডেঙ্গুর বিপদ বাড়িয়ে তুলছে

Published:

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে দুই সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জরিপ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও কীটতত্ত্ববিদেরা। কিন্তু এখনো দুই সিটির এমন সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। মশার ঘনত্ব কোথায়, কী অবস্থায় আছে—তা জানতে দুই সিটি ভরসা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার বছরজুড়ে চলা তিন জরিপের ওপর। এই তিন জরিপ হয়—প্রাক্‌–বর্ষা, বর্ষা ও বর্ষার পর।

গত কয়েক দিন রাজধানীতে যে বৃষ্টি হয়েছে, তাতে দ্রুত এই দুই সিটির মশা পরিস্থিতির জরিপ দরকার ছিল বলে মনে করেন কীটতত্ত্ববিদ তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলছিলেন, ‘এখন যদি বোঝা যেত মশা কতটা বাড়ল, তাহলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারত দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু তাদের সেই সক্ষমতা নেই। তাই যখন পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে, তখন তারা কাজ করতে শুরু করবে।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবীর বলেন, এবার বৃষ্টির পর দক্ষিণ সিটিতে কোনো জরিপ হয়নি, সেই সক্ষমতাও তাদের নেই।

তবে এবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উত্তর সিটি করপোরেশন বৃষ্টির পরপরই চারটি এলাকায় লার্ভা সংগ্রহে নামে বলে জানান সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। তিনি বলেন, চার দিন পর গত বৃহস্পতিবার মিরপুর এলাকায় এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে। তার মানে এডিসের বিস্তার আছে।

গত বছর অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছিল বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘এবার মার্চের এই বৃষ্টি ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে “মরার উপর খাঁড়ার ঘা” হয়ে গেল। কারণ, এ সময়ে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবারই মশা দমন তৎপরতা অনেকটাই কমে গেছে। এ সময় এডিসের বংশ বৃদ্ধির আশঙ্কা যথেষ্ট।’

Related articles

Recent articles

spot_img