9.9 C
New York

মস্কোয় সন্ত্রাসী হামলার পর পুতিন ব্যস্ত কল্পিত শত্রু মোকাবিলায়

Published:

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্ব ছিল সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা সম্পর্কে সতর্ক করা। যেহেতু এই সতর্কবার্তা মার্কিন নাগরিক ও মার্কিন মিত্রদের কাছে পৌঁছেছিল, এটাই স্বাভাবিক যে বাইডেন প্রশাসন মস্কো ও তেহরানকেও সতর্ক করবে। এখন সন্ত্রাসীদের মানবজাতির শত্রু হিসেবে আন্তর্জাতিক আইনে বিবেচিত হওয়া প্রয়োজন। প্রতিটি দেশের উচিত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা। রাশিয়া ও ইরান জঙ্গিবাদে মদদ দেয়, সে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া ও ইরানের সাধারণ নাগরিকদের ওপর সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার ব্যাপারে নীরব থাকা উচিত নয়।  

একটা বিষয় আমাকে স্বীকার করে নিতে হবে, যখন আমি মস্কোয় সন্ত্রাসী হামলার কথা প্রথম শুনতে পাই, তখন আমারও মনে হয়েছিল হয়তো ইউক্রেন এই হামলার জন্য দায়ী। তারা দায়ী নয়, এটা জানতে পেরে আমি আনন্দিত হলাম। সন্ত্রাসী হামলায় যুক্ততার খবর সত্য হলে ইউক্রেনের প্রতি যে সহানুভূতি তা ফুঁয়ে উড়ে যেত। ২০০০ সালের প্রথমার্ধে চেচেন যোদ্ধারা আন্তর্জাতিক সমর্থন হারিয়েছিল রাশিয়ায় গণ খুনের কারণে। (রাশিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী চেচেনদের ঘাড়ে দোষ চাপাতে ১৯৯৯ সালে রুশ অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে হামলা চালিয়েছিল। )

কিন্তু ইউক্রেনীয়রা এমন কিছু করবে, এটা প্রায় অসম্ভব। কারণ ইউক্রেনেও যুক্তরাষ্ট্রের মতো আইনের শাসন ও গণতন্ত্র আছে। যাদের মূল লক্ষ্য সেনা অভিযান থেকে সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেওয়া। ইউক্রেনীয়রা রাশিয়ার স্থাপনায়, যেমন তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে। কারণ এই সব স্থাপনার সহযোগিতা নিয়ে ইউক্রেনে হামলা চালানো হয়। তারা কিন্তু রাশিয়ার শহরগুলোয় বোমা হামলা চালিয়ে ভীতি ছড়াচ্ছে না। অন্যদিকে রাশিয়া ঠিক সেটাই করছে। তারা ইউক্রেন, চেচনিয়া ও সিরিয়ার শহরগুলোয় বোমা মেরেছে।  

Related articles

Recent articles

spot_img