8.3 C
New York

ময়মনসিংহের বাতিঘর হিসেবে পরিচিত শত বছরের পুরোনো এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

Published:

কলেজের প্রশাসনিক ভবনটি ব্রিটিশ স্থাপত্যশৈলীর কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই ভবন পেরিয়ে মূল প্রাঙ্গণে ঢুকতেই পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা হলো। কথায় কথায় জানালেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের অংশ হতে পেরে তাঁরা গর্বিত। খানিক বাদে কথা হলো কলেজটির দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সৌমত্ত আয়নের সঙ্গে। সৌমত্তর কাছে ক্যাম্পাস দ্বিতীয় বাড়ির মতো। বলছিলেন, ‘কলেজে ঢুকলেই একটা অন্য রকম প্রশান্তি কাজ করে। শতবর্ষের ঐতিহ্যে লালিত এই কলেজ বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের এমন অনেক পরিবার আছে, যে পরিবারের তিন পুরুষ এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েছে।’

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পড়ালেখার জন্য আনন্দ মোহন কলেজের বেশ সুনাম আছে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় এই কলেজের শিক্ষার্থীদের সুযোগ পাওয়ার হার কম নয়। তাই ২০২৩ সালেও উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির জন্য সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল এই কলেজে। ৯৮১টি আসনের বিপরীতে ৪৬ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন জমা দিয়েছেন, একক কলেজ হিসেবে যা সর্বোচ্চ। জিপিএ–৫ প্রাপ্তির ভিত্তিতেও সেরা তিন কলেজের একটি এই কলেজ।

শিক্ষার্থীদের তৈরি করার পেছনে কলেজের ভূমিকা কতটুকু? জানতে চেয়েছিলাম আনন্দ মোহন কলেজের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের কাছে। ৪৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন তিনি। মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে এই কলেজের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হতে পেরেছিলাম। আমার আজকের এই অবস্থানের পেছনে অবশ্যই কলেজের অনেক ভূমিকা ছিল। এখানকার পড়াশোনার পরিবেশ খুব ভালো। বিশেষ করে আমি আমার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকদের কথা বলতে পারি। এমন দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।’

Related articles

Recent articles

spot_img