8.7 C
New York

মনোনয়নপত্র দাখিলের আগের রাতে দুই ঘণ্টা প্রার্থীকে থানায় রাখল পুলিশ

Published:

বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় বিশ্বজিৎ ঘোষকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছিলেন তাঁর কর্মী বজলার রহমান। মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এরপর রাত সাড়ে ১২টায় বিশ্বজিৎ ঘোষ ফোনে জানান, ‘বাসার সামনে চারজন পুলিশ এসে ডাকাডাকি করছে। গাড়ি নিয়ে এসেছে।’ মিনিট দশেক পরে তিনি আবার ফোন দিয়ে থানায় আসতে বলেন। বজলার রহমান বলেন, ‘থানায় এসে দেখি টি শার্ট ও লুঙ্গি পড়া অবস্থায় দাদাকে থানায় ওসির রুমে নিয়ে এসেছেন। আমাদের কয়েকজনকে বের করে দেন। রাত সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কথা বলে। সে সময় ওসি ফরিদ হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শেখ জিন্নাহ আল মামুন কক্ষে বসা ছিলেন। পুলিশ নিজের গাড়িতে সোয়া দুইটার সময় বাসায় নামিয়ে দেন।’

বজলার রহমান আরও বলেন, পুলিশ ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণের বিষয়ে তিনি বিশ্বজিৎ ঘোষের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। তিনি তাঁকে জানিয়েছেন, নানা কথাবার্তা হয়েছে। তবে পুলিশ তাঁকে বলেছে, নির্বাচন থেকে দূরে থাকাই ভালো। এগুলো ঝুট-ঝামেলার মধ্যে জড়াইয়েন না। বজলার রহমানের দাবি, পুলিশ বাসার সামনে বিশ্বজিৎ ঘোষকে নামিয়ে ফেরার সময় বলছিলেন, ‘বুঝেন তো সবকিছু। আমরা না চাইলেও অনেক কিছু তামিল করতে হয়। আপনি কিছু মনে করবেন না।’

স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় আমার কাছে ফোন আসে যে সাধুরঘাটে একটা মিটিং চলছে। আমি যেন সাবধানে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে আসি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের যারা প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছে, তারা হয়তো মনে করছে দিনাজপুরে তাদেরই লোকজন আছে। আসলে এটা ভিত্তিহীন। আমরা যারা রাজনীতি করি, প্রত্যেকের সঙ্গেই জনবল আছে।’

Related articles

Recent articles

spot_img