7.4 C
New York

মধ্যপ্রাচ্য আরও অস্থির হবে | প্রথম আলো

Published:

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ইরাক ও সিরিয়ার কমান্ড সেন্টার এবং রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুতাগার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। মাত্র ৩০ মিনিটের অভিযানে ৮৫টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এসব হামলা সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডগলাস সিমস। হামলার পর জো বাইডেন বলেছেন, ‘আজ থেকে আমাদের জবাব দেওয়া শুরু হলো। আমাদের পছন্দের সময়ে ও স্থানে হামলা চলতে থাকবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র আসলে এসব হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঘাঁটিগুলো সুরক্ষিত করতে চাইছে। ৭ অক্টোবর থেকে জর্ডান, সিরিয়া ও ইরাকে মার্কিন সেনাসদস্যদের ওপর ১৬০ বারের বেশি হামলা হয়েছে। জবাবে আগেও পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের আড়াই হাজার ও সিরিয়ায় ৯০০ সেনা অবস্থান করছেন।

তবে শুক্রবারের হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনারা কতটা সুরক্ষিত হবেন বা এ অঞ্চলে আরও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়বে কি না, তা শিগগিরই জানা যাবে বলে মনে করেন বিবিসির সংবাদদাতা টম বেটম্যান। তিনি বলেন, ইরানের ভূখণ্ডের বাইরে দেশটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ওপরে হামলা যে পরিকল্পনা বাইডেন করেছেন, তা তেহরানের মিত্রদের পিছু হটাবে, নাকি সংঘাত আরও বাড়িয়ে তুলবে, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই জানা যাবে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক চিন্তনগোষ্ঠী রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সামরিক বিশ্লেষক এইচ এ হেলারের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে চায় ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এড়াতে চায় তাহলে মূল প্রসঙ্গ হলো গাজা। তিনি আল–জাজিরাকে বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি আনতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে হলে গাজায় হামলা বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে।

Related articles

Recent articles

spot_img