20.5 C
New York

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, লাভ একা নেতানিয়াহুর

Published:

নেতানিয়াহু হিসাব করে দেখলেন, ইরানকে শিক্ষা দেওয়ার এটাই সেরা সময়। তাঁর অতি দক্ষিণপন্থী সরকারের একাধিক মন্ত্রী দাবি তুললেন, পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে খোদ ইরানের ভেতর হামলা চালাতে হবে। এর ফলে সারা মধ্যপ্রাচ্যেই যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে, সে যুক্তিতে পশ্চিমা নেতারা, বিশেষ করে বাইডেন বড় ধরনের পাল্টা হামলা না করতে পরামর্শ দিলেন।

নিজ সরকারের কট্টরপন্থীদের বশে রাখতে নেতানিয়াহু একটি মাঝামাঝি পথ বেছে নেন। নিজ দেশের সীমান্ত থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ইস্পাহানে ড্রোন পাঠিয়ে যে হামলা তিনি চালালেন, তাতে কোনো হতাহত হলো না, বলার মতো কোনো ক্ষয়ক্ষতিও নেই। কিন্তু ইসরায়েল যে চাইলে অনায়াসে ইরানি আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে পারে, সে কথাও তিনি বেশ বুঝিয়ে দিলেন। অন্যদিকে ইরান বলল, আক্রমণকারী তিনটি ড্রোনই ভূপাতিত করা হয়েছে। এক দিন পর ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিএনএনকে বলেন, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়। আমাদের সামরিক “অপারেশন” শেষ।’

এই যে ইটপাটকেলের লড়াই, তা যে সমানে সমানে নয়, তা বোঝা কঠিন নয়। এই সংঘর্ষ থেকে আবারও প্রমাণিত হলো, ইসরায়েল একা নয়, তার পশ্চিমা ছত্রধারী রয়েছে। শুধু পশ্চিমা দেশগুলোই নয়, একাধিক আরব দেশও ইসরায়েলের পক্ষে ঢাল নিয়ে হাজির। কিন্তু ইরানের পাশে কেউ নেই, কোনো আরব দেশ তো নয়ই, এমনকি চীন ও রাশিয়া, যারা মুখে মুখে সংহতির অনেক কথা বলে, তারাও কুটোটি সরিয়ে দেখেনি। অন্য কথায়, ইরান শুধু সামরিকভাবেই নয়, কূটনৈতিকভাবেও ঠকে গেল।

Related articles

Recent articles

spot_img