5.7 C
New York

ভারতে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআইয়ের পর নড়েচড়ে বসেছে সরকার

Published:

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) দেশে কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয়। কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতির জন্য কোনো সংগঠন বা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবেদন করতে হয়। সেখানে ওই পণ্যের ইতিহাস, জিআই স্বীকৃতির পক্ষে যুক্তি, এর ভিন্নতা সম্পর্কিত তথ্য দিতে হয়। এসব নিয়ে বিশ্লেষণের পরই পণ্যটি স্বীকৃতি পায়।

বাংলাদেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে। প্রথম জিআই পণ্য হয় জামদানি। এরপর গত ১০ বছরে মাত্র ১১টি পণ্যের জিআই স্বীকৃতি হয়েছে। আর ২০২৩ সালে এক বছরেই ১০টি পণ্যের স্বীকৃতি মিলেছে। ই-কমার্স ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (ইডিসি) নামের বেসরকারি একটি সংগঠনের সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রমে এক বছরে এতগুলো পণ্যের স্বীকৃতির কাজটি হয়েছে। ইডিসির কর্মীরাই জিআই পণ্য করতে জটিল গবেষণার কাজ করেছেন।

ভারতের জিআই জার্নালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়। আর স্বীকৃতি পায় গত ২ জানুয়ারি। ভারতের এই তৎপরতা কয়েক মাস ধরেই নানা গণমাধ্যমে এলেও বাংলাদেশ কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেশীয় পণ্য টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম গতকাল বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য করার বিষয়ে ই-মেইলে সকল নথিসহ আবেদন করা হয়েছে।’

Related articles

Recent articles

spot_img