13.4 C
New York

ব্রিটিশ রাজপরিবার কেন ছোট থেকে আরও ছোট হয়ে যাচ্ছে?

Published:

কিন্তু তাঁর ৭০ বছরের রাজত্ব পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে উঠতে দেয়নি। তাঁরা একটি অস্পষ্ট কাঠামোর মধ্যে আটকা পড়েছিলেন। অথচ বহু আগেই সংস্কার প্রয়োজন ছিল। চার্লস দূরদর্শী মানুষ, মানবহিতৈষী কাজের অভিনব সব পরিকল্পনা আর সাম্রাজ্যকে আধুনিকীকরণের জন্য অনেক ভাবনা ছিল মাথায়।

কিন্তু অপেক্ষা করতে করতে সেসব ভাবনা ‘দই’ হয়ে যায়, ওগুলো কার্যকর আর হয়নি। বিপর্যস্ত মানুষটি যাঁকে ভালোবাসতেন, তাঁকে বিয়ে করার অনুমতি পেয়েছেন ৫৬ বছর বয়সে। সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা হলেও তাঁর হাতে সময় আছে খুবই কম। তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে বলেন, ‘আমার কপাল।’ কিন্তু এ কথাটি এর আগে আর কখনো এত সত্য বলে মনে হয়নি।

উইলিয়ামও তাঁর বয়স যখন ত্রিশের কোঠায়, তখন ডাচ অব কর্নওয়েল হিসেবে সহায়সম্পত্তি বুঝে নেননি। ছোট ভাইকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দুই ভাইয়ের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। মেগান মার্কেল দৃশ্যপটে প্রবেশের পরই হ্যারি একটার পর একটা বোমা ফাটিয়ে গেছেন। সাসেক্সদের এই ঝগড়াবিবাদ আরও সৃষ্টিশীল উপায়ে মেটানো যেত যদি প্যালেস একটু কম সংকীর্ণমনা হতো।

মুকুট ঘিরে মানুষের প্রধান আকর্ষণই হলো পূজনীয় প্রতিষ্ঠান ও এই প্রতিষ্ঠানের ভেতর আটকে পড়া মানুষের মধ্যকার উদ্বেগ–উৎকণ্ঠার চর্চা। কিন্তু সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নজর অমার্জনীয়। এখন কি তাদের দেখিয়ে দেখিয়ে জীবনযাপন করতে হবে, ভালোবাসতে হবে? এই দাবি কি অন্যায় দাবি নয়?

ক্যাথেরিনের যুদ্ধটা আরও তীব্র, ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধের চেয়েও। এমন এক দায়িত্ব তাঁদের কাঁধে চাপতে বসেছে, যার জন্য তাঁরা প্রস্তুত নন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্যাথেরিনের অসুস্থতা। এই মুহূর্তে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্সেস ক্যাথেরিনের ওপর এসে পড়বে পুরো সাম্রাজ্যের ভার।

নিবন্ধটি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত

Related articles

Recent articles

spot_img