11.5 C
New York

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ‘বাংলার টেসলা’ : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

Published:

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি মনে করেন, দেশে যত গণপরিবহন আছে, সেগুলো দ্রুত বিদ্যুতে নিয়ে আসা উচিত। এতে খরচ কম, পরিবেশবান্ধব। তবে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয় উদ্বেগের। কোথাও অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় কি না, বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো সেটি নজরে রাখছে। বেশির ভাগই এখন অবৈধভাবে বিদ্যুৎ না নিয়ে মিটারের মাধ্যমে নিচ্ছে।

সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ক্যাপটিভ (শিল্পে উৎপাদিত নিজস্ব বিদ্যুৎ) ও অফগ্রিড (জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের বাইরে থাকা) নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বর্তমানে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্রিডভিত্তিক উৎপাদনক্ষমতা ২৬ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। এর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক উৎপাদনক্ষমতা ১১ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট (৪৩ শতাংশ), ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ৬ হাজার ৪৯২ মেগাওয়াট (২৪ শতাংশ), ডিজেলভিত্তিক ৮২৬ মেগাওয়াট (৩ শতাংশ), কয়লাভিত্তিক ৪ হাজার ৪৯১ মেগাওয়াট (১৭ শতাংশ), হাইড্রো (পানিবিদ্যুৎ) ২৩০ মেগাওয়াট (১ শতাংশ), অনগ্রিড (জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া) সৌরবিদ্যুৎ ৪৫৯ মেগাওয়াট (২ শতাংশ), বিদ্যুৎ আমদানি ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট (১০ শতাংশ)।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাপ্যতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়ে থাকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার বিপরীতে ১৯ এপ্রিল (২০২৩ সালের) সর্বোচ্চ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াট। শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাওয়ায় এ বছর শীতকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ উৎপাদন ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াটে নেমে আসে। আসন্ন গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সম্ভাব্য চাহিদার পরিমাণ প্রায় ১৭ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।

Related articles

Recent articles

spot_img