9.9 C
New York

ব্যবসার খরচ বাড়ছে, চাপে উদ্যোক্তারা 

Published:

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ২০২২ সালের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ সাড়ে ৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ওই মাসে মাত্র ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ দাম কমানো হয়। এর পর থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিন ১০৯ টাকা, পেট্রল ১২৫ টাকা ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এতে পরিবহন ব্যয়ের সঙ্গে পণ্যের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায়। 

বিশ্ববাজারে ২০২২ সালের মার্চে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল (১৫৮ দশমিক ৯৯ লিটার) ১৪০ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ডিজেলের দাম ১৭০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর দাম কমতে থাকে। বিশ্ববাজারে ডিজেলের গড় দাম ১৩৯ ডলার ধরে দেশে নতুন দাম নির্ধারণ করে সরকার। গত বছর জ্বালানি তেলের দাম কমে ৭০ ডলারে নেমে আসে। বর্তমানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৮২ দশমিক ৫৯ ডলার। তারপরও জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়নি। 

গ্যাসের দাম গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। শিল্পে উৎপাদিত নিজস্ব বিদ্যুৎকেন্দ্রের (ক্যাপটিভ) পাশাপাশি বড়, মাঝারি, ছোট ও বৃহৎ শিল্পে প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম ৩০ টাকা করা হয়। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ না থাকায় শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যয় এক লাফে বেশ বেড়ে যায়। অন্যদিকে বিদ্যুতের দাম গত বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ৫ শতাংশ করে বাড়ানো হয়। বছর ঘুরতেই আবারও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। গত মাসে গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি দাম ৭০ পয়সা বেড়ে ৮ টাকা ৯৫ পয়সা হয়েছে। 

Related articles

Recent articles

spot_img