2.9 C
New York

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন ধর্ষণ হয়?

Published:

অভিযুক্ত মোস্তাফিজ ছাত্রলীগের নেতা। তাঁর ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেছে আরও বছর দুই আগে। অথচ দিব্যি হলের সিট দখল করে থাকছিলেন তিনি। প্রথম আলোর খবর বলছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রত্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হলে থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা হাজারের বেশি, যাঁদের সিংহভাগই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত। প্রথম বর্ষ, দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা যখন হলে সিট না পেয়ে বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, সে সময় এই দখল করা সিটে বাইরের লোকজনও এসে থাকছেন।

মোস্তাফিজ মীর মশাররফ হলের ৩১৭ নম্বর যে রুমটাতে থাকতেন, সেখানে মাঝেমধ্যেই ৪৫ বছর বয়সী মামুনুর রশীদ মামুন (ধর্ষণকাণ্ডের আরেক অভিযুক্ত) এসে থাকতেন। সমকাল–এর খবর জানাচ্ছে, কক্ষটি মাদক বেচাকেনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোয় ‘একের পর এক অপকর্ম, প্রশাসন নির্বিকার’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা পড়লে আঁচ করা যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কতটা অপরাধের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কতটা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছেন। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নারী নিপীড়ন, ধর্ষণ, যত্রতত্র মাদক সেবনের মতো অপকর্মে জড়াচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

প্রথম আলোর দুই প্রতিবেদক শামসুজ্জামান ও আবদুল্লাহ আল মামুন ক্যাম্পাস ঘুরে দেখতে পান, কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করছেন অনেকে। কথা বলে জানা যায়, তাঁদের বেশির ভাগই এসেছেন সাভার-আশুলিয়া এলাকা থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মীর সঙ্গেই তাঁদের সখ্য রয়েছে।

Related articles

Recent articles

spot_img