5.1 C
New York

বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় এত অবহেলা কেন

Published:

ইউনেসকোর পরামর্শ অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করার কথা। কিন্তু বাংলাদেশে ১.৭৬ শতাংশ ব্যয় করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে শিক্ষায় বরাদ্দের হার সবচেয়ে কম। আবার যে পরিমাণ বরাদ্দ থাকে, তারও সিংহভাগ ব্যয় হয় অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক-কর্মীদের বেতন-ভাতায়। গবেষণায় বরাদ্দ থাকেই না বললেই চলে।

বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানক্রমে বাংলাদেশ যে ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছে, তারও অন্যতম কারণ যে গবেষণায় দুর্বলতা ও অপ্রতুলতা, তা–ও আমাদের শিক্ষার অভিভাবকেরা বুঝতে চান না। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বরাদ্দের ২ শতাংশ গবেষণায় ব্যয় করা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের নামকরা অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও ১ শতাংশের কম ব্যয় করে থাকে। তবে এ কথাও স্বীকার করতে হবে প্রথম সারির কয়েকটি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় অধিক মনোযোগী হয়েছে এবং বরাদ্দও বাড়িয়েছে।

ইউজিসির প্রতিবেদনে যে ১৫ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় শূন্য বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে, সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম টিকিয়ে রাখা হয়েছে ঢিমেতালে। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় করোনার দোহাই দিয়েছে। কিন্তু করোনার আগেও সেখানে গবেষণার চিত্র খুব উজ্জ্বল ছিল বলা যাবে না। গবেষণা করতে অভিজ্ঞ স্থায়ী শিক্ষক থাকা প্রয়োজন। কিন্তু নতুন প্রজন্মের অনেক সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ চলছে নবীন ও খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে। এ অবস্থায় উন্নত মানের গবেষণা আশা করা যায় না।

Related articles

Recent articles

spot_img