18.7 C
New York

বিমানের লাভ নিয়ে প্রশ্ন | প্রথম আলো

Published:

বিমানের পাঁচ বছরের স্থিতিপত্র, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও লাভ-ক্ষতির হিসাব নিয়ে বাণিজ্যিক নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনটি গত রোববার সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটিতে জমা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, ল্যান্ডিং চার্জ, বোর্ডিং চার্জ, ইজারা, সারচার্জ ও বিভিন্ন চার্জের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ বিমানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। গত পাঁচ বছরের আর্থিক বিবরণীতে এই দায় দেখানো হয়নি। ভ্যাট–ট্যাক্স নিয়মিত পরিশোধ করলে প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয় বাড়ত এবং প্রকৃত লাভের পরিমাণে পরিবর্তন দেখা যেত। পদ্মা অয়েল কোম্পানির কাছে বিলম্বিত জ্বালানি তেলের মূল্য পরিশোধের সুদ বাবদ বিপুল বকেয়াও পাঁচ বছরের আর্থিক বিবরণীতে দেখানো হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরের আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কোনো বছরই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়নি। অথচ ২০১৯, ২০২১ ও ২০২২ সালে বিমানের নিট লাভ হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিমান বাংলাদেশ ২৩টি আন্তর্জাতিক ও ৮টি অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। যাত্রী পরিবহন ও মালামাল পরিবহন (কার্গো) বিমানের মূল কাজ। এর বাইরে বিমানের আরও কিছু সেবা আছে। এর মধ্যে আছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং ও কার্গো হ্যান্ডেলিং, বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার (বিএফসিসি), বিমান পোলট্রি কমপ্লেক্স (বিপিসি) ইত্যাদি। এ ছাড়া ‘সেবার ট্র্যাভেল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ লিমিটেড—এসটিএনবিএল’ কোম্পানিতে বিমানের মালিকানা আছে। এটি দেশি–বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনস ও দেশি বিভিন্ন ট্র্যাভেল এজেন্সিকে টিকিট রিজার্ভেশনসহ আনুষঙ্গিক সেবা দিয়ে থাকে। এটি সরাসরি এয়ারলাইনস ব্যবসা নয়। তবে এমন খাতের আয় দিয়েই মূলত লাভ দেখাচ্ছে বিমান।

Related articles

Recent articles

spot_img