20.8 C
New York

বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হোক

Published:

জরিপে ৩৪ শতাংশ গ্রাহক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। দিনে গড়ে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার কথা জানিয়েছেন ৫৮ শতাংশ গ্রাহক। আর এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার কথা জানিয়েছেন ২১ শতাংশ গ্রাহক। এ ছাড়া বিদ্যুৎসেবা নিয়ে বিতরণ সংস্থার কাছে ফোনে বা সরাসরি গিয়ে নিয়মিত অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা। এর মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশ বিদ্যুৎ–বিভ্রাট আর ৩৪ শতাংশ লোডশেডিং নিয়ে।

বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন যত করা যাবে, গ্রাহকের সেবা তত বাড়বে এবং তাঁদের মধ্যস্বত্বভোগীর কাছে যেতে হবে না। কিন্তু প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা–ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সারা দেশ দূরের কথা, ঢাকা শহরের সব গ্রাহককে এখনো প্রিপেইড বিলিং-ব্যবস্থায় আনা যায়নি। পোস্টপেইড বিলিং-ব্যবস্থায় চুরি ও দুর্নীতির সুযোগ থাকে। বিল টেম্পারিং করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ আছে।

বিদ্যুতের উচ্চ মূল্য নিয়ে যে ৩৮ শতাংশ গ্রাহক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, তার কারণ কেবল জ্বালানিসংকট নয়। সরকার একদিকে বিদ্যুৎ খাতে মোটা অঙ্কের ভর্তুকি দিচ্ছে, অন্যদিকে গ্রাহকদেরও বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। তাহলে ভর্তুকির সুবিধা কারা পাচ্ছেন? সাধারণ গ্রাহক, না ক্যাপাসিটি চার্জের নামে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকেরা? ২০১০ সালে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল সমস্যার সাময়িক সমাধানের জন্য। কিন্তু সেই সাময়িক ব্যবস্থা এক দশকের বেশি সময় ধরে চলেছে এবং সরকারকে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে।

Related articles

Recent articles

spot_img