4.9 C
New York

বিদ্যালয়ের মাঠে বসে হাট | প্রথম আলো

Published:

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, যুগ যুগ ধরে বিদ্যালয় মাঠে হাট বসিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন ইজারাদারেরা। এ বিষয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে মৌখিক অভিযোগ জানালেও প্রতিকার মেলেনি।

জানতে চাইলে হাটের ইজারাদার ও দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, দুর্গাপুর হাটের জায়গা প্রায় এক একর। এবার তিনি ৪০ লাখ টাকায় হাট ইজারা নিয়েছেন। হাটের কিছু জায়গায় শেড ও পাকা স্থাপনা আছে। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ধান ও সবজি বেচাবিক্রি হয়। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বিদ্যালয় মাঠে ধান ও সবজির হাট বসাতে হচ্ছে।

রুহুল আমিন আরও বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় লোকজন মাঠ ব্যবহারের বিষয়ে কোনো দিন আপত্তি করেননি। বিদ্যালয়ও সরকারি, হাটও সরকারি। বিদ্যালয়ের মাঠে হাট বসলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাসের তেমন ক্ষতি হয় না। তা ছাড়া বিদ্যালয়ে একজন বদলি শিক্ষকের বেতন বাবদ প্রতি মাসে ১ হাজার ২০০ টাকা হাটের তহবিল থেকে পরিশোধ করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মাঠে হাট না বসানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একাধিকবার আগের ইউএনও স্যারের নজরে আনা হয়েছে। নতুন ইউএনও স্যার যোগদানের পর এখনো বিষয়টি অবগত করা হয়নি।’

ইউএনও মেরিনা আফরোজ মুঠোফোনে বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে এখানে যোগদান করেছি। এ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিংবা অন্য কেউ বিষয়ে আমার কাছে কেউ বিষয়টি জানাননি। কেউ অভিযোগ করলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হবে।’

Related articles

Recent articles

spot_img