11.5 C
New York

বন্ধ হয়ে গেল ব্যক্তিগত পেনশন বিমা পলিসি

Published:

কেমন ছিল পলিসিটি

বন্ধ হওয়া পলিসির নিয়মটা ছিল, এর আওতায় টাকা জমা দেওয়া শুরুর ১০ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় বিমাগ্রহীতা মারা গেলে ১০ বছরের বাকি সময়ের জন্য পেনশনভোগীর নমিনি পেনশন পাবেন। পেনশন বিতরণ শুরুর নির্ধারিত তারিখের আগে বিমাগ্রহীতার স্বাভাবিক মৃত্যু হলে নমিনি চাইলে এককালীন অর্থও নিতে পারবেন।

এ পলিসির সঙ্গে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুবিমারও একটি সহপলিসি ছিল। পলিসি চালু থাকা অবস্থায় দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুবিমার ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে অথবা দুর্ঘটনার কারণে ৯০ দিনের মধ্যে বিমাগ্রহীতা মারা গেলে বার্ষিক প্রিমিয়ামের ৩০ গুণ অর্থ পেতেন তাঁর নমিনিরা। এ ছাড়া ছিল মেয়াদপূর্তিতে পেনশনের টাকার ৫০ শতাংশ অথবা শতভাগ এককালীন তুলে নেওয়ার সুযোগ। বিমাপত্রের অনুকূলে বিমা গ্রাহক চাইলে ঋণও নিতে পারতেন। জীবনবিমার অন্য পলিসির মতো পেনশন বিমার টাকা আয়করমুক্ত ছিল। প্রিমিয়ামের টাকার ওপর আয়কর রেয়াতও মিলত।

মানুষের বোঝার জন্য জেবিসি উদাহরণ দিয়ে বলেছিল, ৩৫ বছর বয়স্ক একজন ৫৭ বছর বয়স পূর্তির পর থেকে মাসিক ৫ হাজার টাকা পেনশনের জন্য একটি পেনশন বিমা পলিসি গ্রহণ করেন। তাঁর এক বছরের প্রিমিয়াম ৯ হাজার ২১০ টাকা। ৫৭ বছর বয়স পর্যন্ত ২২ বছরে তাঁর মোট জমা দাঁড়াবে ২ লাখ ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর বিনিময়ে গ্রাহক এককালীন ছয় লাখ টাকার পেনশন তুলে নিতে পারবেন। অথবা প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পেনশন ভোগ করতে পারবেন তত দিন পর্যন্ত, যত দিন তিনি বেঁচে থাকবেন। গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে এ টাকা জমা হয়ে যাবে। চাইলে অর্ধেক টাকা এককালীন তুলে নিয়েও পেনশন ভোগ করার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আজীবন মাসিক পেনশনের পরিমাণ হবে ২ হাজার ৫০০ টাকা।

Related articles

Recent articles

spot_img