12.4 C
New York

বড় হচ্ছে লিফটের বাজার, হিস্যা বাড়ছে দেশীয় কোম্পানির

Published:

কমছে আমদানিনির্ভরতা

বর্তমানে চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ লিফট দেশে তৈরি হয়। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে এই অবস্থান তৈরি করেছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। এই হিস্যা প্রতিবছর বাড়ছে; ফলে কমতে শুরু করেছে আমদানিনির্ভরতা।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দেশে বর্তমানে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান লিফট আমদানি করে। তবে সব ধরনের নিয়মনীতি মেনে লিফট আমদানি, বাজারজাত ও বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০–এর বেশি নয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মান বাংলাদেশ, তাসিনকো, এনার্জি প্যাক, ইউরো লিফট বিডি, ক্রিয়েটিভ ইঞ্জিনিয়ার্স প্রভৃতি। তারা মূলত চীন, কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে লিফট এনে বিক্রি করে।

লিফট উৎপাদনকারী দেশীয় নিবন্ধিত দুই কোম্পানি হচ্ছে ওয়ালটন ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। এর মধ্যে ২০১৯ সালে লিফটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ইলেকট্রনিক খাতের শীর্ষস্থানীয় দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। বর্তমানে ৩০০ কেজি থেকে শুরু করে ৫ হাজার কেজি ধারণক্ষমতার লিফট তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়ালটনের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ওয়ালটনের লিফটে ১৫টির মতো নিরাপত্তা ডিভাইস যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে রয়েছে বিক্রয়–পরবর্তী সেবার সুযোগ।

এ ছাড়া তিন দশকের বেশি সময় ধরে লিফট আমদানি করছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। তারা ২০২০ সালে লিফট সংযোজন ও উৎপাদনের কারখানা স্থাপন করে। বর্তমানে ‘প্রোপার্টি লিফট’ ব্র্যান্ড নামে লিফট বাজারজাত করছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে উন্নত প্রযুক্তির লিফট তৈরি করছেন।

এর বাইরে দেশের বিভিন্ন ওয়ার্কশপে যন্ত্রপাতি সংযোজন করে লিফট বানিয়ে বিক্রি করছে স্থানীয় কিছু প্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষ করে বড় বড় স্থাপনা নির্মাণকাজ যত বাড়বে, লিফটের ব্যবহারও তত বাড়বে।

Related articles

Recent articles

spot_img