-0.6 C
New York

বঙ্গবন্ধু টানেলের কারণে দূরত্ব কমেছে পারকি সৈকতের, বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়

Published:

সমুদ্রে নেমে উল্লাসে মেতে উঠেছেন নানা বয়সী মানুষ। সাগরপাড়ের ঝাউবনে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন কয়েকজন। উপচে পড়া মানুষের ভিড় সৈকতেও। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এমনই চিত্র দেখা গেল চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পারকি সমুদ্রসৈকতের মাঝের চর থেকে বাতিঘর পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এলাকায়।

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকার সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি আনোয়ারা উপজেলার ঝাউবনে ঘেরা পারকি সৈকতও গত কয়েক দশকে পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেকে পারকি ভ্রমণে যেতে চাইতেন না।  

বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের পর থেকেই পারকি সৈকতে দর্শনার্থী বাড়ছে। এক সময় চট্টগ্রাম নগর থেকে দীর্ঘ পথ ঘুরে আনোয়ারা হয়ে পারকি সৈকতে আসতে সময় লাগত দুই থেকে তিন ঘণ্টা। এখন কর্ণফুলী নদীর নিচে বঙ্গবন্ধু টানেলের নিচ দিয়ে শহরের পতেঙ্গা থেকে আধা ঘণ্টারও কম সময়ে পারকি সৈকতে আসা যাচ্ছে।

নগরের হালিশহর থেকে নুরুল আজমও তাই ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে টানেল পার হয়ে পারকিতে এসেছেন। সাগর দেখার পাশাপাশি দুপুরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঝাউবনে বসে রান্না করে খাবার খেয়েছেন তিনি। নুরুল আজম বলেন, তাঁর স্কুলপড়ুয়া সন্তানের বার্ষিক মূল্যায়ন শেষ হয়েছে সম্প্রতি। তাই ছুটির দিনে সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে পারকি সৈকতে বেড়াতে এসেছেন। কর্ণফুলী টানেলের কারণে নগর থেকে পারকি সৈকতে অনেক কম সময়ে আসা যাচ্ছে।

সমুদ্রসৈকতে আসা পর্যটকদের কাছে ঝিনুকের মালা বিক্রি করেন মোহাম্মদ রাশেদ। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের পর থেকেই পারকি সৈকতে দর্শনার্থী বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলশিক্ষার্থীদের বার্ষিক মূল্যায়ন শেষ হওয়ার কারণে দূরদূরান্তর অনেক দর্শনার্থীও আসতে শুরু করেছেন।

Related articles

Recent articles

spot_img