1.7 C
New York

ফিলিস্তিন সমস্যা, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবসা ও পুঁজিপতিদের খেল

Published:

তবু রিগান আমলে কেইনসীয় তত্ত্ব পরিহারের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র মিলিটারি কেইনসিয়ানিজম অব্যাহত রেখেছিল। ২০০১ সালের প্রথম দিকে ‘ডটকম বুদ্‌বুদ’ একটি মন্দা শুরু করার পর, ১১ সেপ্টেম্বর মিলিটারি কেইনসিয়ানিজমের আরেকটি পর্বের দরজা খুলে দেয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজির ব্যক্তিগত মালিকেরা ও রাষ্ট্র সমরাস্ত্রে তাঁদের বিনিয়োগ থেকে যেভাবে লাভবান হয়েছেন, যেভাবে আরও পুঁজির মালিক হয়েছেন, তা তাঁরা ভুলতে পারেন না। এভাবে জাতিগতভাবেই একটি লোভী জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয় মার্কিনরা। পুঁজিপতির আরও পুঁজি আহরণের এই আকাঙ্ক্ষার কথাই উল্লেখিত মার্ক্সীয় তত্ত্বে বিবৃত। মার্কিনরা কেন যুদ্ধ বাধায় ও জিইয়ে রাখে, এই তত্ত্ব বিশ্ববাসীকে এটা বুঝতে সাহায্য করে।

একদিকে রাশিয়া ও চীন আর অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর কথা হিসেবে নিই এবং পার্থক্যটা বোঝার চেষ্টা করি। প্রথম দুই দেশে সামরিক খাত রাষ্ট্রায়ত্ত বা বড়জোর ব্যক্তি-রাষ্ট্রের যৌথ প্রকল্প এবং সম্পূর্ণ রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে। পক্ষান্তরে, যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক খাত মূলত ব্যক্তিমালিকানায়, যার ওপর রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং ব্যক্তি খাত সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রমাণ, কোনো সরকারপ্রধান বা সরকার ইচ্ছা করলেও ‘গান কন্ট্রোল’ তথা মারণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করাতে পারছে না। কারণ, শিল্পমালিকেরা সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।

Related articles

Recent articles

spot_img