15.4 C
New York

ফাঁসির রায়ের পর ভুট্টোকে নিয়ে যেতে উড়োজাহাজ পাঠিয়েছিলেন গাদ্দাফি

Published:

জেনারেল জিয়া ১৯৭৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। পিপিপি–প্রধানকে ছেড়ে দিতে জিয়ার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন ভুট্টোর ব্যক্তিগত বন্ধু লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। ভুট্টোর ফাঁসির রায়ের পর গাদ্দাফি আবার একই অনুরোধ জানান। এবার তিনি ভুট্টোকে লিবিয়ায় নিয়ে যেতে পাকিস্তানে উড়োজাহাজ (প্রেসিডেনশিয়াল এয়ারক্র্যাফট) পাঠান। তবে গাদ্দাফির সব আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন জিয়া।

১৯৭৯ সালের ২৪ মার্চ পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন। রিভিউ আবেদনেও একই রায় বহাল থাকে।

জিয়ার কাছে ক্ষমার আবেদন জানাতে রাজি ছিলেন না ভুট্টো। তবে তাঁর পক্ষে বড় বোন এই আবেদন করেন। ক্ষমার আবেদন নাকচ করেন জিয়া।

১৯৭৯ সালের ৪ এপ্রিল দিবাগত রাত দুইটায় রাওয়ালপিন্ডি জেলা কারাগারে ফাঁসির মাধ্যমে ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ভুট্টোর সমর্থকেরা এই ফাঁসিকে বিচারিক হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেন।

ভুট্টোকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পর্যালোচনা করে সুপ্রিম কোর্টের মতামত চাওয়া হয় ২০১১ সালে। সর্বোচ্চ আদালতের কাছে এই মতামত (প্রেসিডেনশিয়াল রেফারেন্স) চান পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তিনি জুলফিকার আলীর মেয়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর স্বামী।

চলতি বছরের ৬ মার্চ পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট সর্বসম্মত আদেশে বলেন, ভুট্টোর বিচার স্বচ্ছ ও যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে হয়নি।

Related articles

Recent articles

spot_img