13.4 C
New York

পুতিনের ‘ইসলামপ্রীতির’ কৌশলে আঘাত হানতেই কি মস্কোয় সন্ত্রাসী হামলা?

Published:

কিন্তু তাতে বাশার আল আসাদের সায় মেলেনি। কারণ তিনি পুতিনের পুরোনো বন্ধু। তিনি যদি ইউরোপকে পাইপলাইন বসাতে দেন এবং সেই লাইন দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি ও কাতার থেকে ইউরোপ গ্যাস আনা শুরু করে তাহলে ইউরোপে রাশিয়ার বাজার ধ্বংস হয়ে যাবে।

বাশার আল আসাদ যেহেতু পশ্চিমের প্রস্তাবে রাজি হবেন না, সেহেতু যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা আসাদবিরোধীদের মদদ দিচ্ছিল যাতে তারা আসাদকে নামিয়ে দেয়। অনেকে মনে করেন, সে সময় আইসএকেও বাশারবিরোধী লড়াইয়ে পশ্চিমারা মদদ দিয়েছিল।

পুতিন বুঝতে পারছিলেন, যদি পশ্চিমারা বাশারকে ফেলে দিতে পারে, তাহলে ইউরোপকে আর জ্বালানির জন্য রাশিয়ার তেল-গ্যাসের দিকে চেয়ে থাকতে হবে না। সিরিয়ার মধ্য দিয়ে পাইপলাইন বসিয়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তারা সে জ্বালানি আনতে পারবে। এ কারণে পুতিন বাশার আল আসাদকে তার সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়েছেন।

অস্ত্র দিয়েছেন। অর্থ দিয়েছেন। সেই অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে বাশার পশ্চিমা মদদপুষ্ট বিদ্রোহী এবং আইএস গোষ্ঠীকে দমন করেছেন।

এখন ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে পশ্চিমারা রাশিয়ায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফলে সৌদিসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে পুতিন ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন।

এসব কারণে অনেক ধারণা করছেন, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা যত পোক্ত হবে, ইউরোপের জন্য ইউক্রেনকে বাঁচানো তত কঠিন হবে। ফলে রাশিয়ার সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের সম্পর্কের মধ্যে বিষ ঢেলে দিতেই এই হামলার আয়োজন করা হয়ে থাকতে পারে।

Related articles

Recent articles

spot_img