8.5 C
New York

‘পিউলার প্রো’ এবং ‘চারমো’ সিরিজের এসি নিয়ে এল গ্রী

Published:

গ্রী এসির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী। গ্রী এসিই প্রথম নিয়ে এসেছে জি বুস্ট কম্প্রেসর, যার ফলে ৬১ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হয়। দীর্ঘক্ষণ এসি রুমে থাকলে ব্যাকটেরিয়ার কারণে অনেকের হাঁচি-কাশিজনিত সমস্যা হয়। গ্রী এসিতে থাকা ‘কোল্ড প্লাজমা প্লাস’ টেকনোলজি রুমের ভেতরে থাকা ব্যাকটেরিয়াকে ৯৯.৯ শতাংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করে নির্মল বাতাস সরবরাহ করে। ফলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায় গ্রী এসি।

অনেক বছর ধরেই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। বিষয়টিকে মাথায় রেখে দূষণমুক্ত বাতাসের জন্য গ্রী এসিতে যুক্ত করা হয়েছে ‘ক্লিন বিথিং’ টেকনোলজি। যেখানে থাকা সাত ধরনের ফিল্টারের কারণে গ্রী এসি দেয় শতভাগ বিশুদ্ধ বাতাস। পাশাপাশি গ্রী এসি পঁয়ষট্টি ডিগ্রি তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে চলতে সক্ষম। এ ছাড়া গ্রী এসিতে থাকা ‘আই ফিল টেকনোলজি’ সেন্সরের মাধ্যমে ঘর ও বাইরের তাপমাত্রা সমন্বয় করে সহনীয় ও সঠিক তাপমাত্রা সরবরাহ করে।

বাংলাদেশে কিছু কিছু এলাকার আবহাওয়া লবণাক্ত এবং বাণিজ্যিক এলাকায় এসির স্থায়িত্ব বেশি দিন হয় না। কম্প্রেসর বা কনডেনসার লিকেজ হয়ে যায়। এ কারণে গ্রী এসিতে যুক্ত করা হয়েছে ‘অ্যান্টি করেসান’ নামক নতুন প্রযুক্তি। যার কারণে গ্রী এসি যেকোনো আবহাওয়ায় ব্যবহারের উপযোগী। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে অনেক সময় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রী এসিতে ‘ওয়াইড ভোল্টেজ রেঞ্জ’ থাকার কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও এসির কোনো সমস্যা হয় না।

Related articles

Recent articles

spot_img